রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

ইবতেদায়ি বাদ দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনের প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার জন্য একটি বোর্ড গঠনে আইনের খসড়া প্রণয়ন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জামা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। মন্ত্রণালয় এই খসড়াটি যাচাই-বাছাই করে দেখছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শেয়ারিং করে এটি চূড়ান্ত করা হবে। তারপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই খসড়ায় ইবতেদায়ি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীর ২৯ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিতে গিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের বিভিন্ন কাজে সমস্যা ও ধীরগতি সৃষ্টি হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ফল প্রকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজের কাজ ফেলে দৌড়াতে হয় পরীক্ষা ও ফলের পেছনে। এ কারণে বিভিন্ন উইংয়ের কাজে ধীরগতি তৈরি হয়।

এসব সমস্যা ছাড়া বিগত সময়ে সরকারের নির্দেশনা ছিল প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনের। সব বিষয় মাথায় রেখে খসড়া প্রস্তুত করা হয়। একটি প্রস্তাবনাসহ খসড়া পাঠানো হয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ২৫ লাখ ৫৩ হাজার, ২৬৭ জন। আর ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে ২৯ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ছিল। এই বিশাল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর জন্য একটি আলাদা শিক্ষা বোর্ড করার প্রয়োজন দেখা দেয়। কারণ সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নেওয়া এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার কোনওটিতেই এত পরীক্ষার্থী হয় না।

সেই হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ের পাবলিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষা বোর্ড প্রয়োজন। তবে এতে দুটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। ইবতেদায়ি এই বোর্ডের অধীনে নিতে পরছে না প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কারণ ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য মন্ত্রণালয়ের পলিসির ও নির্দেশনা বাস্তবায়নে রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ