রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

গণহত্যা ও নির্যাতনের স্বীকারোক্তি দেয়া দুই সেনাকে ফেরত চায় মিয়ানমার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা ও নির্যাতন চালানোর বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া দুই সেনাকে ফেরত চেয়েছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। তাদের দাবি, পলাতক সেনাদের অবিলম্বে বার্মায় ফেরত পাঠানো উচিত।

দ্য ইরাবতীর খবরে বলা হয়, দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর ওই দুই সেনা মিও উইন তুন এবং জ নায়েং তুন বর্তমানে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের হেফাজতে আছেন।

এর আগে গত সপ্তাহে তারা রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা ও নির্যাতন চালানোর বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে আদালতকে বলেছেন, ২০১৭ সালে রাখাইনে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের সময় সৈনিকদের প্রতি নির্দেশ ছিল, ‘কোনো রোহিঙ্গাকে দেখলেই তাকে গুলি করবে’।

সে সময় নারী, শিশুসহ নিরীহ মানুষদের হত্যা, গণকবরে মাটিচাপা দেয়া এবং ধর্ষণসহ অন্যান্য অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন এই দুই সৈনিক।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ফরটিফাই রাইটসের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে তারা ভবিষ্যতে মামলায় কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাছাড়া আইসিসির বিভিন্ন ধরনের সাক্ষী সুরক্ষার নিয়ম আছে। সেটির অধীনে এ ধরনের সাক্ষীদের সব ধরনের সুরক্ষা দেয়া হয়ে থাকে।

গণহত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ছয় জন সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তাসহ আরো ১৯ জন ব্যক্তির নাম আদালতকে জানান তারা। ওই ছয় জন সেনা কর্মকর্তার নির্দেশেই এ হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতন পরিচালিত হয়েছিল।

মিও উইন তুন স্বীকারোক্তিতে জানান, কর্নেল থান থাকি রোহিঙ্গাদের সমূলে হত্যার নির্দেশ দেয়ার পর সৈনিকরা তাদের কপালে গুলি করে এবং লাথি মেরে কবরে ফেলে দিতো। রাখাইনের বুথিডং অঞ্চলে কয়েকটি গ্রাম ধ্বংস করা, ৩০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যা করার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকা এবং আরো ৬০-৭০ জন রোহিঙ্গা হত্যার সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন তিনি।

জ নায়েং তুন জানান, রাখাইনের মংদু টাউনশিপে অন্তত ২০টি গ্রাম ধ্বংস করা এবং ৮০ জন রোহিঙ্গা হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন তিনি। এ ছাড়া সার্জেন্ট পায়ে ফোয়ে অং এবং কিয়েত ইয়ু পিন তিন জন রোহিঙ্গা নারীকে ধর্ষণ করেছে। যার প্রধান সাক্ষী তিনি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ