শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাসনাতের দুঃখ প্রকাশে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার ভারত চলবে ভারতের মতো বাংলাদেশ বাংলাদেশের মতো: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনে ইসলামী আন্দোলন টিম, ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশ চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সব সিন্ডিকেট গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: এমপি হানজালা গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভ‌রিতে সোনার দাম কমলো ৭১১৫ হাজার টাকা মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান

ফজরের নামাজ আদায় করার ৫ উপকারিতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজর নামাজের গুরুত্ব অনেক। হাদিসে এর এত বেশি গুরুত্ব এসেছে যে, যদি একজন মুমিন তন্মধ্য থেকে মাত্র একটিও মনে রাখে তাহলেও এক্ষেত্রে তার গাফলতি অনায়াসে দূর হয়ে যাবে। তার হিম্মত বেড়ে যাবে। ঘুম ও অলসতা কাটিয়ে ওঠতে সক্ষম হবে। নব প্রেরণায় উজ্জীবিত হবে। যেমন-

এক- ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামায পড়ার সমান। উসমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জামাতে এশার নামাজ আদায় করলো, সে যেন অর্ধেক রাত জেগে নামাজ পড়লো। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়লো, সে যেন পুরো রাত জেগে নামাজ পড়লো। -সহিহ মুসলিম: ১০৯৬

দুই- ওই দিনের পুরোটা আল্লাহর জিম্মায় থাকার দুর্লভ সৌভাগ্য। ফজরের নামাজ পড়লেই শুধু এ-ঈর্ষণীয় সৌভাগ্য লাভ করা যাবে। যুনদব ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সুফইয়ান আলবাজালি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করল, সে আল্লাহর জিম্মায় চলে গেল। অতএব আল্লাহ যেন তার জিম্মার বিষয়ে তোমাদেরকে কোনোরূপ অভিযুক্ত না করেন। -জামেউত তিরমিযি: ২১৮৪

তিন- ফজরের নামাজ কেয়ামতের দিন নুর হয়ে দেখা দেবে। বুরাইদা আল আসলামি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যারা আঁধারে (ফজর নামাযে) মসজিদের দিকে হেঁটে যায়, তাদের কেয়ামতের দিন পরিপূর্ণ নুর প্রাপ্তির সুসংবাদ দাও। -সুনানে আবু দাউদ: ৪৯৪

চার- জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাত প্রাপ্তির সুসংবাদ। আবু যুহাইর ‘উমারাহ ইবনে রুআইবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে (ফজরের ও আসরের নামাজ) আদায় করবে, সে কখনো জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। -সহিহ মুসলিম: ৬৩৪

পাঁচ- মুনাফেকি থেকে মুক্তি পাবে। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন,  রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকদের ওপর ফজর ও এশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। যদি তারা এর ফজিলত ও গুরুত্ব জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে বা পাছার ভরে অবশ্যই (মসজিদে) উপস্থিত হত। -সহিহ বুখারি: ৬৫৭

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ