বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা তুরুস্কের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী জাতির সুরক্ষা এবং নিরাপত্তায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানায় তারা।

সেখানে বলা হয়েছে, সকল প্রতিষ্ঠান দেশ ও দেশের বাইরে বীরত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও বিপদের বিরুদ্ধে মহৎ জাতির (তুর্কি) ভালবাসা, বিশ্বাস এবং প্রার্থনায় তাদের অভিযান পরিচালনা করে থাকে তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী। বিশেষ করে, ফেতুল্লার মতো সন্ত্রাসী সংগঠন (ফেতো), ওয়াইপিজি, পিকেকে ও আইএসআইএসের বিরুদ্ধে।

ফেতো এবং এর যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক নেতা ফেতুল্লাহ গুলেন তুরস্কে ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই একটি অভ্যুত্থান পরিচালনা করেছিল। সেটিতে তার বাহিনীর পরাজয় ঘটে। এ ঘটনায় ২৫১ জন শহীদ এবং প্রায় ২ হাজার ২০০ জন আহত হন।

আঙ্কারা অভিযোগ করেছিল যে, তুরস্কের প্রতিষ্ঠান বিশেষত সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিচার বিভাগে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার দীর্ঘকালীন প্রচারের পেছনে ফেতোর হাত রয়েছে।

তুরস্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউর তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন পিকেকে দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তুরস্কের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী তারা। আর ওয়াইপিজি হলো পিকেকের সিরিয়ান শাখা।

২০১৩ সালে তুরস্ক দায়েশ বা আইএসআইএসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণাকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে একটি হয়ে উঠে।

এরপর দেশটি একাধিকবার দায়েশ বা আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়েছে। বিভিন্ন সময় আইএসের কমপক্ষে ১০টি আত্মঘাতী বোমা হামলা, সাতটি বোমা হামলা এবং চারটি সশস্ত্র হামলায় ৩১৫ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন। জবাবে তুরস্ক অধিকতর আক্রমণ ঠেকাতে দেশ-বিদেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ