বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

মোদির কৃষি আইন স্থগিত করলো ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের পাস করা নতুন তিন কৃষি আইনে আবারও স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এক আদেশে এ স্থগিতাদেশ দিয়েছেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আইনগুলো কার্যকর করা যাবে না জানিয়ে আদালত বলেছেন, সরকার পক্ষ এবং আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে বোঝাপড়ায় একটি বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। আর সেটি বাস্তবায়নে এ সময় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

দেশের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত আট দফা বৈঠক হলেও কোনো সমাধানে আসা সম্ভব হয়নি। কৃষকদের মতামত নিয়ে সরকার আইন সংশোধনেরও প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু তাতেও রাজি নয় আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, বিতর্কিত এই আইন বাদ দিতে হবে।

এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ও গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলো। তারা বলছে, কোনো সমঝোতা নয়, সরকারকে এ আইন প্রত্যাহার করতে হবে। তাহলেই সমস্যার সমাধান হবে।

আন্দোলনকারী পক্ষের আইনজীবী আজ আদালতে বিষয়টি জানান। জবাবে এটাকে ‘রাজনীতি নয়’ মন্তব্য করে ভারতের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে, এএস বোপান্না এবং ভি রামসুব্রহ্মণ্যমের ডিভিশন বেঞ্চ বলেন, রাজনীতি এবং বিচার ব্যবস্থা আলাদা জিনিস। দুটোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই এ সমস্যা সমাধানে সবার সহযোগিতা লাগবে।

বিচারকরা বলেন, ক্ষমতাবলে আমরা আইন স্থগিত করতে পারলেও সেটা অনির্দিষ্টকাল স্থগিত রাখা যাবে না। কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত একটি বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়া এবং এর মধ্য দিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে। সমাধান চাইলে এই কমিটির কাছে যেতে হবে। কমিটি কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না এবং শাস্তিও দেবে না, তারা কেবল আদালতের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ