সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য  জয়-পরাজয়ের হিসাব নয়, সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন: শায়খ আহমাদুল্লাহ স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯ বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন সার উপহার দিল রাশিয়া হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে শোকজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিতে পারবে না : ধর্ম উপদেষ্টা কোকোকে নিয়ে কটূক্তি, আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না, ভোট হবে নিরপেক্ষ : সেনাপ্রধান নারীদের শিক্ষায় অগ্রগতি ও দাওয়াতে শূন্যতা সংবিধানে বিসমিল্লাহ আছে, সারা জীবন থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

সূর্যোদয়ের দেশ জাপানে বাড়ছে মুসলিমদের সংখ্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত জাপানে উল্লেখযোগ্য হারে মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে। প্রায় প্রতিদিনই দেশটিতে অনেক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করছেন। এর ফলে গত এক দশকে দেশটিতে মুসলিমের দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।

ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ের তানাদা হিরোফুমির বরাত দিয়ে দ্য ইকোনোমিস্ট জানিয়েছে, গত ১০ বছরে জাপানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। ২০১০ সালের এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, জাপানে ১ লাখ ১০ হাজার মুসলিম ছিল। তবে ২০১৯ সালের শেষ নাগাদ সেই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩০ লাখ।

এই এক দশকে জাপানের উল্লেখযোগ্য মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় দেশটিতে মুসলিমের সংখ্যা বেড়েছে। পরিসংখ্যানে বলা হচ্ছে যে, গত ১০ বছরে ৫০ হাজার জাপানি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে।

মুসলিমদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় জাপানে আরও বেশি মসজিদ, ইবাদতের স্থান এবং হালাল খাবারের দোকান স্থাপন করা হচ্ছে। রিটসুমেইকান এশিয়া-প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির (এপিইউ) একজন অধ্যাপক এবং বেপ্পু মুসলিম অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) প্রধান মুহাম্মদ তাহির আব্বাস খান বলেছেন, জাপানে এখন ১১০টি মসজিদ রয়েছে।

দিন দিন মসজিদের সংখ্যা বাড়লেও কবরের স্থান নিয়ে এখনও জাপানের মুসলিমদের উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। জাপানের প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষকে দাহ করা হয়। কিন্তু ইসলামে মৃতদেহ দাহ করা নিষেধ। এমতাবস্থায় এটা একটা সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। আব্বাস খান বলেন, যদি আজ আমার মৃত্যু হয়, তাহলে আমাকে দাফন করা হবে কিনা আমি জানি না।

তবে কবরস্থানের জন্য প্রায় এক দশক ধরে অর্থ উত্তোলন করছে বিএমএ। কিন্তু কবরের জন্য জায়গা নির্ধারণের পর স্থানীয়রা এর বিরোধিতা করেছে। তারা বলছে, কবরস্থান থাকলে তারা নিশ্চিতে পানি পান করতে পারবেন না।

উল্লেখ্য, রুশ বিপ্লবের পর রাশিয়া থেকে কয়েকশ তুর্কি মুসলিম অভিবাসী ১৯২০-র দশকে জাপানে পাড়ি জমায়। ১৯৩০ সালে জাপানে বিভিন্ন দেশের এক হাজার মুসলিম ছিল। পরবর্তীতে ১৯৮০-র দশকে ইরান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে অভিবাসী কর্মীরা জাপানে পাড়ি দিলে সেখানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ