বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

‘ভ্যাকসিন নিলে ছেলেরা মেয়ে কণ্ঠে কথা বলবে, মেয়েদের দাড়িও উঠবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিশ্বে করোনাভাইরাসকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো। শুরু থেকেই ভাইরাসটিকে নিয়ে তিনি নানা রকম বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। এমনকি নিজে আক্রান্ত হওয়ার পরও তার মতের কোন পরিবর্তন হয়নি। উল্টো এখন বলছেন মানুষ করোনার ভ্যাকসিন নিলে কুমির হয়ে যাবে।

গত বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) নিজ দেশে টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট এমন মন্তব্য করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, ‘করোনা ভ্যাকসিন মানুষকে কুমির বানিয়ে দিতে পারে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ছেলেরা মেয়েদের কণ্ঠে কথা বলবে আর মেয়েদের দাড়ি উঠবে।’

এ কারণে তিনি নিজে কখনও এই ভ্যাকসিন নেবেন না বলেও জানিয়ে দেন প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো। তবে বৃহস্পতিবার দেশটির সুপ্রিম কোর্ট রুল জারি করেছেন, করোনা ভ্যাকসিন নেয়া বাধ্যতামূলক। ভ্যাকসিন না নিলে মানুষকে জরিমানা করতে পারবে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কারও ওপর বলপ্রয়োগ করা যাবে না।

অথচ সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশকে অনেকটা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জেইর বোলসোনারো বলেছেন, তিনি কখনোই করোনা ভ্যাকসিন নেবেন না যুক্তি হিসেবে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছি, আমার অ্যান্টিবডি রয়েছে। তাহলে আমি কেন ভ্যাকসিন নেব?’

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত ৭১ লাখ ৬৩ হাজারের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৮৫ হাজার ৬৮৭ জনের। সম্প্রতি সেখানে শুরু হয়েছে মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। গত জুন-আগস্টে ব্যাপক সংক্রমণের পর আক্রান্তের হার কিছুটা কমেছিল। তবে নভেম্বর থেকে সেই পরিস্থিতি আবার বদলে যায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ