বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের ৭২তম প্রজাতন্ত্র দিবস। আজ মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানী দিল্লিতে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজ। প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১২২ জনের একটি চৌকস দল।

প্রতিবছর এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে একজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত থাকেন। অতীতে পাকিস্তান-চীনের মতো দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও গত ৫৫ বছরের ইতিহাসে কখনোই আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বাংলাদেশকে।

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এ বারের কুচকাওয়াজে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী সমন্বয়ে গঠিত একটি দল।

এ লক্ষ্যে ১২২ সদস্যের প্রতিনিধি দল এর মধ্যে পৌঁছেছে দিল্লি। ভারত সরকারের আমন্ত্রণে যোগ দেয়া এ দলটি সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকার। এতে আছেন ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে গর্বিত বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও আর্টিলারি রেজিমেন্টের সদস্যরা। এর আগে দুটি মাত্র দেশ সম্মানজনক এ কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছে। ২০১৬ সালে ফ্রান্স এবং ২০১৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সদস্যরা অংশ নেন কুচকাওয়াজে।

কুচকাওয়াজের পাশাপাশি প্রতিবছরের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন বিদেশী কোন রাষ্ট্রপ্রধান। তবে অদ্ভূত হলেও সত্য প্রজাতন্ত্র দিবসের এ অনুষ্ঠানিকতায় এখন পর্যন্ত কখনোই আমন্ত্রণ পাননি বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রপ্রধান। গত ৫৫ বছর ধরে বিদেশী অতিথিদের তালিকায় ঠাঁই পাওয়াদের মধ্যে কঙ্গো, টোবাগো, জাম্বিয়ার মতো দেশও বাদ পড়ননি।

সবেচয়ে বেশি ৫ বার যোগ দিয়েছে ফ্রান্স। ৪ বার করে যোগ দিয়েছেন ভুটান ও রাশিয়া। দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের চীর শত্রু পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানরা যোগ দেয়ার সুযোগ পেয়েছেন ২ বার, সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় যাদের সাথে, সে চীনও আমন্ত্রণ পেয়েছে একবার। কিন্তু মুখে সবচে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর খেতাব পাওয়া বাংলাদেশকে কখনোই জানানো হয় নি আমন্ত্রণ।

এ অঞ্চলের শ্রীলঙ্কা ২ বার, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান, কাজাখাস্তানের মতো দেশ যোগ দিয়েছেন একবার করে। স্বভাবতই তাই প্রশ্ন উঠছে, পুরো বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের রোল মডেল, সেখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানাতে ভারতের এ অনীহার কারণ কি?

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ