বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

অবরুদ্ধ গাজার মুসলিমদের জন্য ৩৬০ মিলিয়ন ডলার অনুদান বরাদ্দ করলো কাতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইয়াহইয়া বিন আবু বকর নদভী৷।।

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার মুসলিম অধিবাসিদের জন্য আর্থিক অনুদান বরাদ্দ করেছে কাতার৷

আরবি সংবাদমাধ্যম ‘আল খালিজ’ গতকাল রোববার (১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানায়, কাতারের আমির ‘শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানি’ জানুয়ারি মাসের শুরু থেকে পুরো বছর ধরে ব্যয় করার জন্য গাজা উপত্যকার অধিবাসিদের জন্য একটি আর্থিক অনুদানের বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, আমেরিকান ডলারে এর পরিমাণ প্রায় ৩৬০ মিলিয়ন ডলার।

ফিলিস্তিনের একটি জতীয় কমিশন আলকুদসকে জানায়, ফিলিস্তিনের মুসলিম অধ্যুসিত গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার অবরোধের ফলে শুধুমাত্র ২০২০ সালেই দেড়হাজার মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে৷ ১৪ বছর যাবত লাগাতার অবরোধের ফলে ফিলিস্তিনবাসী চরম সংকট ও দুর্দিনের মধ্যে দিয়ে কালাতিপাত করছে৷

কিছুদিন পূর্বে আলকুদস এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছিলো, দখলদার ইসরায়েলি সেনাদের লাগাতার ১৪ বছর অবরোধের ফলে ফিলিস্তিনিদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়েছে৷ তবে সবকিছুর বিবেচনায় ২০২০ সালটি সবচে বিপজ্জনক হয়ে দাড়িয়েছে৷ একদিকে ইসরায়েলী অবরোধ ও বিমান হামলা, অন্যদিকে করোনার প্রকোপ। যার কারণে গাজায় বর্তমান প্রায় ৭০% পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে৷ এছাড়াও ৮৫% এরও বেশি দারিদ্রতার কারণে মানবেতর জীবন যাপন করছে এবং বেকারত্বের হার বেড়েছে 60 শতাংশ। বর্তমানে সেখানে ৩৫০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক বেকার ৷ বিমান হামলার ফলে গাজা উপত্যকার বিদ্যুতকেন্দ্রগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে৷ ফলে ঠিকমত বিদ্যুৎ ও সরবরাহ করতে পারছেনা৷

কমিশনটি আরো জানায়, অবরোধের শুরু থেকেই ৮০% কারখানা বন্ধ রয়েছে৷ অন্যদিকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও কারখানার যাবতীয় উপকরণের আমদানি-রফতানি সীমাবদ্ধ করে দেয়ার কারণে এবং বিদ্যুৎ সরবারহের স্বল্পতার কারণে খানাগুলির উত্পাদন হার হ্রাস পেয়ে ২০% এ নেমে এসেছে৷ অন্যদিকে শ্রমিক ও দোকান এবং কর্মশালার মালিকদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ও ব্যপক অবনতি ঘটেছে।

শেখ তামিম বিন হামাদের বক্তব্য, ইসরায়েলের সহিংসতা ও অবরোধের ফলে আমাদের পড়শী রাষ্ট্র ফিলিস্তিন অধ্যুসিত গাজা উপত্যকার অধিবাসিরা চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে দিন গুজরান করছে৷ এই অনুদানটি কর্মীদের বেতন প্রদান ও দরিদ্র পরিবারের জন্য, এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচলনার জন্য প্রদান করা হবে৷ যাতে করে তারা আর্থিক দৈন্যতা ও মানবিক পরিস্থিতির অবনতি কাটিয়ে উঠতে পারে৷ সূত্র: আলখলিজ আলজাদিদ, আশ শারক, আলকুদস আরবি৷

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ