বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত একবাক্স নীতি বহাল রাখতে আলোচনা চলমান: গাজী আতাউর রহমান

চীনের উইঘুরদের উপর নিপীড়ন তদন্তের আহ্বান এইচআরডব্লিউর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চীনে উইঘুরদের উপর চালানো নির্যাতন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

গত সোমবার সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরে ওই অঞ্চলে ব্যাপক নির্যাতনের জন্য সমন্বিত তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।

উত্তরপশ্চিম জিনজিয়াংয়ের নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘু উইঘুর ও অন্যান্য তুর্কি মুসলমানদের উপর চীন মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। তাদের গণআটক, নির্যাতন, সাংস্কৃতিক নিপীড়নসহ অন্যান্য অপরাধের জন্য বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতির দেশটি দায়ী।

হিউম্যান রাইটস ওয়ার্চের নতুন এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।

‘তাদের বংশানুক্রম ভেঙে দেওয়া ও শিকড় উপড়ে ফেলার নথিভুক্ত নিপীড়নের পরিসীমা’ শিরোনামের প্রতিবেদনে চীনের বিরুদ্ধে উইঘুর মুসলমানদের গুম, ব্যাপক নজরদারি, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নকরণ, চীনে ফিরে আসতে বাধ্য করা, যৌন সহিংসতা ও বংশবৃদ্ধি করার অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়েছে।

স্টানফোর্ড ল’ স্কুলের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড কনফ্লিক রেজাল্যুশন ক্লিনিকের সহায়তায় প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছে। এতে বলা হয়, তুর্কি মুসলমানদের ওপর বেইজিংয়ের নিপীড়ন নতুন কোনো পরিস্থিতি না, এটা এখন নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

রাজনৈতিক শিক্ষা ক্যাম্প, বিচারবহির্ভূত আটক কেন্দ্র, কারাগারসহ ৩০০ থেকে ৪০০ স্থাপনার মধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষকে বন্দি রাখা হয়েছে।

আটক বাবা-মায়েদের শিশু সন্তানদের চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে বেইজিংয়ের ধরপাকড়র তীব্র রূপ নিয়েছে। চীনে যত মানুষ আটক হয়েছেন, তার ২১ শতাংশ হলেন উইঘুর মুসলমান। যদিও তারা চীনের মোট জনসংখ্যার এক দশমিক পাঁচ শতাংশ।

প্রথম পাঁচ বছরের তুলনায় গত অর্ধদশকে আটকের পরিমাণ ৩০৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে অঞ্চলটির দুই-তৃতীয়াংশ মসজিদ ধ্বংস করতে বিভিন্ন অজুহাত ব্যবহার করেছে চীন সরকার।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ