বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফজরের নামাজ শেষে ফেরার পথে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা মাত্র ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিটে মক্কা থেকে মদিনা বিরতিহীন ট্রেনযাত্রা উপজেলা পর্যায়ের প্রার্থী তালিকা কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ জমিয়তের মানিকনগর মাদরাসার মুহতামিম আইসিইউতে, দোয়া কামনা স্ট্রোকের লক্ষণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধে যা জানা জরুরি  জাতীয় সিরাত প্রতিযোগিতার পরীক্ষা কাল, অংশ নিচ্ছেন দুই সহস্রাধিক হজ-ওমরাকারীদের সুবিধার্থে মক্কায় চালু হলো থার্ড রিং রোড ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে, চলছে গণনা জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাঙ্গলকোটে শিক্ষার্থীদের মাঝে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের দাওয়াহ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

মাত্র ১৪০ দিনে পুরো কোরআন হাতে লিখে রেকর্ড গড়লেন এক শিল্পী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিসরের ডাকহলিয়া প্রদেশের আরবি ক্যালিওগ্রাফার হামদি বাহরাভি মাত্র১৪০ দিনে পুরো কোরআন হাতে লিখেছেন। তার ৫৫ বছর বয়সী এই শিল্পী দেশটির ডাকহলিয়া প্রদেশের শহীদ মুস্তাফা ভ্যাটিডি প্রাথমিক স্কুলের আরবি ক্যালিগ্রাফির শিক্ষক। তিনি হাতে পুরো কোরআন হাতে লেখার পরিকল্পনা করলে তার বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষকরা তাকে সতর্ক করেন।

কারণ, তাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে আর কাজটিও বেশ কঠিন। কিন্তু তিনি একাগ্র সাধনা ও অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে সব বাধা অতিক্রম পেরিয়ে একাজ করতে সফল হয়েছেন। ক্যালিওগ্রাফার হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত। বিভিন্নভাবে পবিত্র কোরআনের আয়াত লেখার জন্য হামদি বাহরাভি তার এলাকায় অনেক প্রসিদ্ধ।

মাত্র ১৪০ দিনে কোরআন হাতে লেখার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেকেই আমাকে সতর্ক করেছেন। কিন্তু আমি আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ়প্রত্যয়ী থেকে পবিত্র কোরআন হাতে লেখার কাজ অব্যাহত রাখি এবং সফল হই। এ কাজে আমার পরিবারের সদস্যরা ব্যাপক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

তার হাতে লেখা কোরআনের কপিটি ৩০ সেন্টিমিটার প্রস্থ এবং ৪০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪১৫টি। এটা তিনি মিলিমিটার কলম দিয়ে লিখেছেন। পুরো কাজটি লিখতে তার ব্যয় হয়েছে মিসরীয় ১২৫ পাউন্ড।

তার লিখিত কোরআনের পাণ্ডুলিপিটি আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে করে নির্ভুল বলে ঘোষণা করেছে। বর্তমানে এই শিল্পী পবিত্র কোরআনের একটি বড় পাণ্ডুলিপি লেখার কাজ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে ২ হাজার ৭শ’ মিসরীয় পাউন্ড ব্যয় করে ৭ মাসে ১২ পারা লিখে শেষ করেছেন।

তার ইচ্ছা, এই পাণ্ডুলিপির কাজ শেষ হলে এটিও পর্যবেক্ষণের জন্য আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাবেন এবং সেখান থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর তা মিসরে জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে উপহার দেবেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ