শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৫ পৌষ ১৪৩২ ।। ২০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে নো কম্প্রোমাইজ: ইসলামী ছাত্র আন্দোলন  প্রতিদ্বন্দ্বী জুনায়েদ আল হাবীবকে ‘রোহিঙ্গা’ বলে ইঙ্গিত রুমিন ফারহানার ‘আসন সমঝোতা শিগগির চূড়ান্ত না হলে জনগণের প্রত্যাশা ব্যাহত হবে’  চারদিনে ইসিতে আপিল ৪৬৯টি, শেষদিন কাল সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বার বার হামলা চালানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল গাজীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে ঝুটের অর্ধশতাধিক গোডাউন বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: জুনায়েদ আল হাবীব নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা জনমনে সংশয় রয়েছে: মঞ্জু যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ডিএমপি এই সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে আলেম বিদ্বেষ

আলোর মুখ দেখছে শায়খুল কুরআন রহ.-এর স্মারকগ্রন্থ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ‘শায়খুল কুরআন’ খ্যাত যুগের মুজাদ্দিদ মাওলানা কারী বেলায়েত হুসাইন রহ. বিদায় নিয়েছেন প্রায় চার বছর আগে, ২০১৭ সালে। বছর-দুয়েক আগেই তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর একটি স্মারকগ্রন্থের কাজের সূচনা হয়। হজরতের সাহেবজাদা মাওলানা মাসীহুল্লাহ, মাওলানা কালীমুল্লাহ ও মাওলানা ফয়জুল্লাহ কাজটি তদারকি করছেন। তত্ত্বাবধান করছেন মাওলানা ইসমাঈল বেলায়েত।

শায়খুল কুরআন মাওলানা কারী বেলায়েত হুসাইন রহ. এর স্মারকগ্রন্থ আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন গ্রন্থটির সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব।

তিনি জানান, হজরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. ৬৮ হাজার গ্রামে ৬৮ হাজার মক্তব প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন দেখতেন তা অনেকটা বাস্তবায়ন হয়েছে তাঁর একান্ত শাগরেদ ও খলিফা হজরত মাওলানা কারী বেলায়েত হুসাইন রহ.-এর মাধ্যমে। তাঁর আবিষ্কৃত নূরানী শিক্ষার ভূমিকার কথা সবার জানা। এদেশে কুরআনে কারিমের সহিহ-শুদ্ধ তেলাওয়াতের পেছনে বড় অবদান নূরানীর।

স্মারকগ্রন্থের প্রধান সম্পাদকের কাজটি করেছেন লেখক সাংবাদিক জহির উদ্দিন বাবর। আর মূল সম্পাদকের কাজ করেছেন আওয়ার ইসলাম সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব।

মাঠ পর্যায় থেকে লেখা সংগ্রহের ক্ষেত্রে হাসান আল মাহমুদ, আমিন আশরাফ, মোস্তফা ওয়াদুদ, কাউসার লাবীব, আবুল ফাতাহ কাসেমী, ইশতিয়াক সিদ্দিকীসহ আওয়ার ইসলাম টিম কাজ করেছে। স্মারকগ্রন্থটি বিশুদ্ধকরণে ভূমিকা রাখছেন মুনীরুল ইসলাম। অঙ্গসজ্জার কাজ করছেন রফরফ কর্ণধার ইলয়াস হোসাইন। প্রচ্ছদ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ছয় শতাধিক পৃষ্ঠার স্মারকগ্রন্থটিতে প্রায় দু’শো লেখকের লেখা স্থান পেয়েছে। সার্বিক কাজ শেষ পর্যায়ে। চলছে শেষ মুহূর্তের ঘষামাজা। আশা করা যাচ্ছে ঈদুল আজহার আগে-পরে স্মারকগ্রন্থটি পাঠকের হাতে পৌঁছবে ইনশাআল্লাহ।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ