শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

মুসান্নিফ বা লেখকের ঈসালে সওয়াবের এই বিষয়টি কখনো কি ভেবেছি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবু বকর সাদী: মুসলমান মাত্রই আমরা বিশ্বাস করি যে, কোন মাইয়্যেতের জন্য সওয়াব রেসানি করলে, সেটা তিনি কবরে পান। আমরা মৃত নিকটাত্মীয়দের জন্য দুআ করে থাকি। নফল ইবাদত করে তার সওয়াব কবরে প্রেরণের আমল করে থাকি। আর করবই না কেনো? এটা তো তাদের হক!

কিন্তু একটি জায়গায় আমরা খুব উদাসীন। সেটা হল, আমাদের পড়া কিতাবের মাতিন ও শারিহের জন্য দুআ করা। সত্যি করে বলুন তো, আমরা ক'জন এই আমল করে থাকি?

মা বাবা যেমন আমার অভিভাবক, ঠিক তেমনিভাবে শিক্ষকগণও আমার অভিভাবক। তবে যার কাছে কিতাবাদি পড়ে আলেম হয়েছি, তাদের জন্য মাঝে মধ্যে আমরা দুআ করি। কিন্তু যার কিতাব পড়ে আলেম হয়েছি বা জেনেছি, তার জন্য কি দুআ করি?

পঞ্চাশ টাকার একটি বই পড়ে, ওয়াজ করে পঞ্চাশ হাজার টাকা উপার্জন করছি। কখনো কি সেই আনন্দে একটি টাকাও সেই মুসান্নিফের জন্য সদকা করেছি? যে যাই বলুক, আমার কাছে বিষয়টা অসৌজন্যমূলক ও অকৃজ্ঞতা মনে হয়।

তাই নুরানী থেকে বুখারি পর্যন্ত বা আরো যত মুসান্নিফগণ আছেন তাদের জন্য অবশ্যই দুআ করবেন। এটি আমাদের উপর তাদের হক। কেননা তাদের সারাজীবনের মেহনতের একেকটি রেসালা আমরা এক বছরেই পড়ার সুযোগ পাচ্ছি। তারা যদি এই মেহনত না করতেন, কী অবস্থা হত আমাদের? আল্লাহ আমাদের এই বিষয়টির উপর আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।

লেখক- প্রিন্সিপাল, মারকাযুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ