বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ।। ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার’  পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

অ্যাপসভিত্তিক সুদের কারবার: চীনা নাগরিকসহ রিমান্ডে ৭

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: অ্যাপসভিত্তিক অবৈধ সুদের ব্যবসা পরিচালনাকারী ও অনলাইন প্রতারকচক্রের ৭ সদস্যের ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাসের আদালত এ আদেশ দেন। ৭ আসামির রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। অপর ৫ আসামিরও জামিন আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৭ আসামির ২ দিনের রিমান্ড ও ৫ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ধানমন্ডি থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা মো. এশারত আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

রিমান্ডে যাওয়া ৭ আসামি হলো-চীনা নাগরিক হি মিংশি ও ইয়াং সিকি, মজুমদার ফজলে গোফরান, আহসান কামাল, হিমেল অর রশিদ, নাজমুস সাকিব ও জেরিন তাসনিম বিনতে ইসলাম। কারাগারে যাওয়া ৫ আসামি হলেন-ইমানুয়েল এডয়োর্ড গোমেজ, আরিফুজ্জামান, শাহিনুর আলম, শুভ গোমেজ ও আকরাম আলী। এছাড়া, ৫ সদস্যকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের এসআই প্রাণ কৃষ্ণ সরকার ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ১২ আসামিকে আদালতে হাজির করেন।

প্রথম ৭ জনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন এবং পরের ৫ জনকে একদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি অনুমোদন ছাড়া থান্ডার লাইট টেকনোলজি লিমিটেড, নিউ ভিশন ফিনটেক লিমিটেড ও বেসিক ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নামে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করত। আইনগত অনুমোদন ছাড়া তারা গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করছে। গ্রাহকরা এসব অ্যাপস ইন্সটল করার মাধ্যমে অ্যাপে গ্রাহকের অজান্তে ক্যালেন্ডারের ইভেন্ট পড়া, গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া দূর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মোবাইল ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবি ও ভিডিও ধারণ, মোবাইলের কন্টাক্ট পড়াসহ মোবাইলের এক্স্যাক্ট লাইভ লোকেশন নির্ণয়, ফোনের স্ট্যাটাস এবং তথ্য সংগ্রহ, ফোনে সংরক্ষিত মেসেজ পড়া, পরিবর্তন করার অনুমতি নিয়ে নেয়। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের পারসোনাল ডাটা সিকিউরিটির চরম হুমকিতে পড়ে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ