বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ।। ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার কওমি মাদরাসা: ইসলামি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিশ্বস্ত প্রহরী

আলোচিত একরাম হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ৭ বছর পর গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আলোচিত ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাবেক সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামি জিয়াউর রহমান বাপ্পীকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১২ নভেম্বর) দুপরে ফেনী সদর উপজেলার ধোনসাদ্দা এলাকায় তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বাপ্পী ফেনী সদর উপজেলার মোটবি ইউনিয়নের মো. হানিফের ছেলে। তারা ফেনী শহরের বিরিঞ্চি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো।

বাপ্পীর পিতার নাম মো. হানিফ হলেও চার্জশিটে আজিজ নাম লেখা হওয়ায় তাকে গ্রেফতারের পর এই নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ বাপ্পীকে ৫৪ ধারায় আদালতে চালান দিয়ে আদালতকে বিস্তারিত অবহিত করেন। আদালত বাবার নাম সংশোধন করে তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে বলে জানা যায়।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নিজাম উদ্দিন জানান, চেয়ারম্যান একরাম হত্যা মামলার আসামি জিয়াউর রহমান বাপ্পীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তার বাবার নাম ও চার্জশিটে উল্লেখ করা আসামির বাবার নামের সাথে অমিল রয়েছে। নাম সংশোধনের চেষ্টা প্রক্রিয়াধীন। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

২০১৪ সালের ২০ মে প্রকাশ্য দিবালোকে ফেনী শহরের একাডেমিতে শহর থেকে উপজেলায় যাওয়ার পথে ফুলগাজীর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একরামকে গুলি করে, কুপিয়ে ও গাড়িসহ পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে স্ব-দলীয় প্রতিপক্ষের দুর্বৃত্তরা।

২০১৮ সালের ১৩ মার্চ এই মামলার রায়ে তৎকালীন ফেনীর জেলা ও দায়রা জজ আমিনুল হক আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আদেলসহ ৩৯ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

বর্তমানে এই মামলায় ২৩জন আসামি জেল হাজতে রয়েছেন। পলাতক রয়েছেন ১৬ জন। ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্তদের মধ্যে রুটি সোহেল নামে একজন জামিনে থাকা অবস্থায় র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। মামলার শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন ১০ জন। জামিন নিয়ে এখনও পলাতক রয়েছেন ৯ আসামি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ