বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৭ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭


আবারও সেরা করদাতা হলেন জর্দা ব্যবসায়ী কাউছ মিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক : ২০২০-২০২১ করবর্ষে ব্যবসায়ী ক্যাটাগরিতে জর্দা ব্যবসায়ী কাউছ মিয়া আবারও সেরা করদাতা হয়েছেন। ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি দেশের সর্বোচ্চ করদাতার একজন। তিনি হাকিমপুরী জর্দার স্বত্বাধিকারী।

বুধবার সেরা করদাতা হিসেবে জাতীয় ট্যাক্সকার্ড নীতিমালা, ২০১০ (সংশোধিত) অনুযায়ী ২০২০-২০২১ করবর্ষের জন্য ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকার প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে এনবিআর।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআরে) একাধিক কর্মকর্তা জানান, অন্য শ্রেণির সর্বোচ্চ করদাতারা প্রতিবছর কর হিসেবে যত টাকা দেন, কাউছ মিয়ার ধারেকাছে নেই তারা।

কাউছ মিয়া প্রথম আয়কর দেন ১৯৫৮ সালে। এ নিয়ে ২০১৯ সালে এনবিআরের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘আগে টাকাপয়সা এখানে-সেখানে রাখতাম। এতে নানা ঝামেলা ও ঝুঁকি থাকত। ১৯৫৮ সালে প্রথম কর দিয়ে “ফ্রি” হয়ে গেলাম। এরপর সব টাকাপয়সা ব্যাংকে রাখতে শুরু করলাম। হিসাবনিকাশ পরিষ্কার করে রাখলাম।’ ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ১ নম্বর করদাতা হয়েছিলেন কাউছ মিয়া।

কাউছ মিয়ার গুলশান-বনানী কিংবা মতিঝিলে কোন ভিআইপি চেম্বার নেই। পুরান ঢাকার আগা নওয়াব দেউড়ী রোডে হাকিমপুরী জর্দার কারখানার একটি কক্ষই তার ‘চেম্বার’। সেখানেই তিনি বসেন। কিন্তু গুলশান, বনানী ও মতিঝিলের ব্যবসায়ীদের পেছনে ফেলে পুরান ঢাকার ঘুপচি গলির এই ব্যবসায়ীই প্রতিবছর সর্বোচ্চ করদাতা হন।

কাউছ মিয়ার বাবা ইচ্ছে ছিল না তিনি ব্যবসা-বাণিজ্যে নামেন। তাঁর বাবার ইচ্ছা ছিল ছেলে পড়াশোনা চালিয়ে যাবে। আর ব্যবসায় মন পড়ে থাকা কাউছ মিয়া ১৯৪৫ সালে অষ্টম শ্রেণি পাস করে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হলে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের দামামায় আর পড়াশোনা এগোয়নি।

১৯৫০ সালে চাঁদপুরের পুরান বাজারে মুদিদোকান দেন মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে।এরপর ধীরে ধীরে ভিবিন্ন প্রতিষ্ঠনের এজেন্ট ছিলেন। পরের ২০ বছর তিনি চাঁদপুরেই ব্যবসা করেন। ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন । বর্তমানে ৪০-৪৫ ধরনের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তিনি।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ