বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৭ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

১০০ টাকা বরাদ্দ দিলে গ্রামে পোঁছায় ১০ টাকা: পরিকল্পনামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জনগণের উন্নয়নের জন্য সরকার ১০০ টাকা বরাদ্দ দিলে গ্রামে পৌঁছায় মাত্র ১০ টাকা বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, সরকার এ বলয় ভাঙতে কাজ করছে।

আজ সোমবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ‘সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ’ আয়োজিত 'ন্যাশনাল ডায়লগ অন এলডিসি গ্রাজুয়েশন' এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এসব বলেন।

বিএনপি নেতা ড. আব্দুল মঈন খানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, গ্রামে গিয়ে দেখেন কোনও খড় ও ছনের বাড়ি নেই। বর্তমান সরকার সবার উন্নয়নে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র থেকে ১০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলে তা ঠিকাদারের মাধ্যমে সাব-ঠিকাদারের হাতে যায়। সাব-ঠিকাদার আবার তার সাব-ঠিকাদারের হাতে দেয়। এভাবে নানা হাত বদলের মাধ্যমে ১০০ টাকা বরাদ্দ দিলে গ্রামে ১০ টাকা পৌঁছায়। তবে সরকার এই বলয় ভেঙে ফেলতে নানাভাবে কাজ করছে।

এম এ মান্নান বলেন, দেশে আগে ক্ষুধার্ত মানুষ ছিল। আমরা সেটা কাটিয়ে উঠেছি। বর্তমানে কেউ ক্ষুধায় বা অনাহারে থাকে না। তবে অর্থনৈতিক বৈষম্য রয়েছে। যা বিশ্বের সকল দেশেই পরিলক্ষিত হয় । অর্থনৈতিক বৈষম্য ছাড়া কোনও দেশ নাই।

সরকার সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত কাজ করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, করোনার সময়েও কেউ অনাহারে থাকেনি। জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করতে লকডাউনেও সরকার কোনো রকম বাধা দেয়নি। সোয়া লাখ কোটি ডলার জীবন ও জীবিকায় প্রণোদনা দিয়েছে সরকার।

বিএনপি সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নষ্ট করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারকে আমরা শক্তিশালী করেছি। জেলা পরিষদ বলতে বিএনপি'র সময়ে কিছু ছিল না । আমরা জেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে। ইউপি নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করছে।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বিএনপির সময়ে হাওর অঞ্চলে বাদ দেওয়া হতো টেন্ডারের মাধ্যমে। যা নিয়ন্ত্রিত হতো ঢাকা থেকে। আর সেটা সাব-কন্ট্রাক্টর থেকে সাব-কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে তলানিতে গিয়ে তেমন কিছুই উন্নয়ন হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার এ ব্যবস্থা পাল্টে স্থানীয়দের মাধ্যমে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করছে। যার মাধ্যমে কিছুটা অনিয়ম হলেও সেটা এলাকার মানুষের হাতেই থাকছে। ফলে হাওর অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে।

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের চেয়ারম্যান ড. মানজুর আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ও সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ড. আব্দুল মুঈন খান, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিজিএসের গবেষণা পরিচালক ড. আব্দুল্লা আল মামুন। বক্তব্য রাখেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রশীদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ ওমেনন্স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সেলিমা আহমেদ এমপি, সংসদ সদস্য ড. হাবিবে মিল্লাদ, প্রফেসর ড. এমএ আজিজ এবং ড. আবু ইফসুফ প্রমুখ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ