বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
আমিরকে শোকজ করা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বক্তব্য বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের লিডারশিপ প্রশিক্ষণ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত জামি'আ ইকরায় উচ্চতর উলুমে হাদিস বিভাগের যাত্রা শুরু সংবিধান উপেক্ষা করে কাশ্মীরে মসজিদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ শুরু ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন: খেলাফত মজলিস ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই

তুরস্কে বিদেশি পর্যটকদের ঢল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: তুরস্ক ভ্রমণে বিদেশি পর্যটকদের ঢল নেমেছে। করোনা মহামারির মধ্যেই দেশটিতে গত বছরের চেয়ে কয়েক লাখ বেশি বিদেশি পর্যটক ভ্রমণে এসেছেন।

দেশটির সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী মেহমেত নুরি ইরসোই জানিয়েছেন, তুরস্ক প্রথমবারের মতো ইউরোপের দেশ স্পেনের চেয়ে বেশি পর্যটককে আতিথ্য দিয়েছে।

দেশটির পার্লামেন্টের বাজেট ও পরিকল্পনা কমিশনকে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী। খবর হুররিয়াত ডেইলি নিউজের।

মেহমেত নুরি ইরসোই বলেন, সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১ কোটি ৭৬ লাখ বিদেশি পর্যটক তুরস্ক ভ্রমণ করেছেন। যা ২০২০ সালের এ সময়ের চেয়ে ৮৬ শতাংশ বেশি। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বরেই ৩৫ লাখ মানুষ তুরস্ক ভ্রমণ করেছেন।

সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, এ বছর পর্যটন খাত থেকে তুরস্ক ২২ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা করেছে। আশা করছে ২৮ মিলিয়ন (২ কোটি ৮০ লাখ) মানুষ ইতিহাস ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ আমাদের দেশে ভ্রমণ করবেন।

‘চলতি বছর পর্যটন থেকে আমাদের আয় ২৪ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। তুরস্কে আসা পর্যটকরা প্রতিজন ২০১৮ সালে খরচ করতেন ৬৩০ মার্কিন ডলার। যা ২০২১ সালের প্রথম নয় মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩০ মার্কিন ডলারে।

গত বছর করোনার ভাইরাসের কারণে তুরস্কের পর্যটন খাত ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সে সময় মাত্র ১ কোটি ২৭ লাখ পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করেছেন। সে বছর পর্যটন থেকে আয় ছিল ১২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশ্বের ভ্রমণ পিপাসুদের অন্যতম গন্তব্য তুরস্ক। অবসর সময় পার করতে বা ছুটি কাটাতে ইউরোপ থেকে প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক ছুটে আসেন ইস্তানবুল, ইজমির, আঙ্কারা, কাপ্পাডোসিয়া ও এফেসাস শহরে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ