নুরুদ্দীন তাসলিম
মারকাজি ইজতেমা থেকে>
রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় চলছে মজলিসে দাওয়াতুল হকের মারকাজি ইজতেমা। আজ বাদ ফজর থেকেই শুরু হয়েছে ইজতেমা। সকাল থেকেই সুন্নাতের উপর অটল থাকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বয়ান চলছে।
ইজতেমার বয়ানে দারুল আরকাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ও বেফাকের কো-চেয়ারম্যান মাওলানা সাজিদুর রহমান বলেন, আমাদের জন্য তাকওয়া এবং সোহবতে সালেহীন প্রয়োজন। তাকওয়া হল, মানুষ যেন তোমার জবান দ্বারা কষ্ট না পায়। জবান বলা হয় মানুষের অর্ধেক সৌন্দর্য। হাদীসে আছে, ‘রাসূল সা.কে জিজ্ঞেস করা হল, নাজাত কিসে? তিনি বলেন, জবানকে হেফাজত কর এতেই নাজাত।’
তিরমিজিতে আছে, যখন সকাল হয়, সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জবানকে বলে আমরা সবাই তোমার অনুগামী তুমি ঠিক মত চললে আমরা ঠিক থাকবো, তুমি উল্টোপথে চললে আমাদের দ্বারাও ঠিক থাকা সম্ভব হবে না।
আমাদের মাঝে জবানের হেফাজত ঠিক মত হয় না। দেখা যায় নামাজ পড়েও অন্যের গিবতে লিপ্ত আমরা। নবীজি সা. বলেছেন সুদ মারাত্মক গুনাহ, এরথেকেও ভয়ঙ্গক গিবত। আল্লাহ আমাদের গিবত থেকে হেফাজত করুন।
কুরআনে আল্লাহ তায়ালা অন্যের প্রতি খারাপ ধারণা থেকে বেচে থাকতে বলেছেন। নবীজি সা. বলেছেন, তোমার মুসলিম ভাইয়ের দোষের পিছনে লেগো না, আল্লাহ তায়ালা তোমার দোষ তালাশে নামবেন। আল্লাহ তায়ালা কারো দোষ তালাশ করতে চাইলে তার জন্য রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয় কোনভাবে।
দোষ তালাশ করা শুরু হয় খারাপ ধারণা থেকে, তাই এ থেকে বেচে থাকতে হবে।
সবার উচিত আমল ঠিক করা। যেন আমলে ত্রুটি না থাকে। তাকওয়ার কয়েক্টা স্তর, ১. কুফর থেকে বাঁচা। যে আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই। ২. কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। ৩. মাহরুহ থেঁকে বেচে থাকা। অর্থাৎ আল্লাহকে ভয় করার মত ভয় কর।
সবসময় আল্লাহকে স্মরণ করবে তাকে ভুলবে না কখনো। জিকিরের মাধ্যমে আল্লাহকে সবসময় স্মরণ করা যায়। কুরানে সবচেয়ে বেশি জিকিরের কথা বলা হয়েছে। কুরানে বলা হয়েছে নামাজ কায়েম কর। নামাজের মধ্যেও জিকির আছে।
-এএ