মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ভুল দুই প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের পক্ষে সই কাতারের সাবেক আমিরের ইন্তেকালে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন আমিরে মজলিস

পাঁচ মাস পরের বাজারদরে মূল্য নির্ধারণ করে ধান বিক্রি করা বৈধ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আমাদের এলাকাতে ধান উঠলে দেখা যায় অনেক কৃষক তাদের ধান দিয়ে বাজারে ব্যবসায়ীর কাছে এই শর্তে বিক্রি করে যে, আজ থেকে পাঁচ মাস পরে ধানের যে বাজারদর থাকবে তাই এর মূল্য।

এইভাবে লেনদেন করে কৃষক ও ব্যবসায়ী উভয়েই লাভবান হন। কেননা, পাঁচ মাস পরের বাজারদর মূল্য নির্ধারণের কারণে কৃষক মূল্য বেশী পান।

অপরদিকে ব্যবসায়ী এ সময়ে ঐ ধান ব্যবসায় খাটিয়ে লাভবান হন। এখন আমার জানার বিষয় হলো, পরবর্তী সময়ের বাজারদর হিসাবে মূল্য নির্ধারণ করা হবে এমন চুক্তিতে ক্রয়-বিক্রয় করা বৈধ কিনা? যদি বৈধ না হয় তাহলে এর কোন বিকল্প ব্যবস্থা শরীয়তে আছে কিনা? জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর কেনাবেচা বৈধ হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো, বিক্রি চুক্তির বৈঠকেই মূল্য সুনির্দিষ্ট হওয়া। বৈঠকের শেষ পর্যন্তও যদি মূল্য চূড়ান্ত না হয় তাহলে ঐ ক্রয়-বিক্রয় শুদ্ধ হয় না। সুতরাং আপনাদের এলাকার ঐ ধরনের কারবারও চুক্তির সময় মূল্য নির্দিষ্ট না হওয়ার কারণে তা নাজায়েয। এ কারবার সহীহভাবে করতে চাইলে বিক্রয়চুক্তির সময়েই পণ্যের মূল্য চূড়ান্ত করে নিতে হবে।

এক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে ধানের মূল্য কত হতে পারে তা অনুমান করে সে হিসাবে এখনই চূড়ান্ত মূল্য ঠিক করে নিতে হবে। পরবর্তীতে বাজারমূল্য এর চেয়ে কম বা বেশী হলেও ধানগ্রহিতার উপর নির্ধারিত মূল্যই পরিশোধ করা জরুরি থাকবে।

-সুনানে তিরমিযী ১/২৩৩, আলবাহরুর রায়েক ৫/২৭৪, ফাতহুল কাদীর ৫/৪৬৭, আদ্দুররুল মুখতার ৫/১৬১, ফাতাওয়া খানিয়া ২/১৩৯।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ