রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

জানাজা থেকে ফেরার পথে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিতে বলল দাঙ্গাবাজরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হামযাহ আল মাহদী।। মুহাম্মদ ইব্রাহিম নামের এক মুসলিম যুবক ও তার বাবাকে দাঙ্গাবাজ-সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। তাদেরকে ভারতের জিটিবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মিল্লাত টাইমস জানায়, আহত মুসলিম বলেন, আমি এক আত্মীয়ের জানাজায় যোগ দিতে বেরলি থেকে ফিরছিলাম। আমার সাথে আমার বাবা ছিলেন। আমি মোস্তফাবাদের কাছে আসতেই দাঙ্গাবাজরা আমাকে ঘিরে ফেলে। আমি পালানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু কোন উপায় ছিল না। তাদের হাতে ছিল তলোয়ার। ছিল লাঠিসোটা, রড। একসাথে বেশ কিছু আওয়াজ ভেসে এলো। মারো মারো!

তাকে মার বলে তারা আমাকে আমার বাবাকে মারতে থাকে। তাদের মেরে আগুন জ্বালিয়ে দে। তখনই আমার উপর পনেরো বিশের মত লাঠি ও রড বর্ষণ করা হয়। ওরা আমাকে অনেকক্ষণ মারতে থাকে। আমার মাথা ফেটে যায়. সারা শরীরে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

তারপর তারা আমাকে ধরে রাস্তার পাশে টেনে নিয়ে গেল যেখানে একটি নোংরা ড্রেনে ফেলে দেয়। কেউ বলছিলো তার গায়ে এসিড ঢেলে দাও। কেউ বলেছে আগুন লাগিয়ে তাকে পুরিয়ে দাও। একজন আমাকে জিজ্ঞেস করল তোমার বাড়ি কোথায়? আমি বললাম বেরলি।
তারপর বলল, ছেড়ে দাও, এটা আমার গ্রামের। এই দু:খজনক গল্পটি মুহাম্মদ ইবরাহীমের। তার অপরাদ সে মুসলমান। এভাবেই নির্যাতন করা হচ্ছে মুসলিমদের। সূত্র: মিল্লাত টাইমস

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ