মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান রাষ্ট্রপতি ও এলজিআরডি মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি খতমে নবুওয়ত মহাসচিবের বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যক্রম

সম্রাট আকবরই বাংলা সালের প্রবর্তক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাংলা সাল বা বঙ্গাব্দ কে প্রতর্বন করছিলেন তা নিয়ে ভারতীয় কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিতর্ক তুললেও বাংলাদেশে গবেষক ও ইতিহাসবিদরা একমত যে এর সূচনা হয়েছিল সম্রাট আকবরের হাতেই।

তারা বলছেন যে গৌড়ের প্রাচীন হিন্দু রাজা শশাঙ্ক নন, বরং মুঘল সম্রাট আকবরই বাংলা সাল বা বঙ্গাব্দ প্রবর্তন করেছিলেন।

অনেক ইতিহাসবিদ ও নৃতাত্ত্বিক অবশ্য এও মনে করেন যে বাঙালিদের মধ্যে কৃষির সূচনা থেকেই বাংলা সালের উদ্ভব। কিন্তু ঠিক কবে বা কখন তা শুরু হয়েছে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গাব্দ’র প্রবর্তক হিসেবে ভারতের হিন্দুত্ববাদীরা গৌড়ের প্রাচীন রাজা শশাঙ্ককে তুলে ধরতে চেষ্টা করছেন, যা নিয়ে ওই দেশেই ভিন্নমত রয়েছে।

ইতিহাসবিদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন জানাচ্ছেন, সুপরিচিত ভারতীয় বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিককালের ড. অমর্ত্য সেন পর্যন্ত অনেক বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ ও নৃতত্ত্ববিদ সম্রাট আকবরকেই বাংলা সালের প্রবর্তক হিসেবে মেনে নিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষক বিবিসি বাংলাকে বলেন, ইতিহাস বিবেচনায় মুঘল সম্রাট আকবরই বাংলা সাল বা বঙ্গাব্দের উদ্ভাবক।

‘১৯৫৪ সালে ভারতীয় পঞ্জিকা সংস্কার কমিটির প্রধান ড. মেঘনাদ সাহা অঙ্ক কষে নিশ্চিত ঘোষণা করেছিলেন যে সম্রাট আকবরই বাংলা সালের প্রবর্তক। পরে উড়িষ্যার ইতিহাসবিদ কাশীপ্রসাদ জয়সোবাল এ মতকে সমর্থন করেছিলেন।’

‘আমিও মনে করি, ইতিহাসের অভিমত হলো সম্রাট আকবরই ফসলী সাল হিসেবে বাংলা সাল চালু করেছিলেন।’

অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, হিজরী সালকে সৌর বছরে পরিণত করে বাংলা সাল চালু করা হয়েছিল, এবং সম্রাট আকবর যা চেয়েছিলেন তা হলো রাজস্ব প্রশাসনের সংকট দূর করা।

আর তার এই প্রয়াসের মধ্য দিয়েই বাংলা সালের উদ্ভব হলো।

বাংলা সাল নিয়ে চার অভিমত

এই বাংলা সালই বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজ ও কৃষিখাতে সবসময় নানা উপলক্ষে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অর্থাৎ ফসল থেকে আরম্ভ করে ব্যবসা - সব কাজেই এর গুরুত্ব অপরিসীম।

এখনো অধিকাংশ জায়গায় দোকান ভাড়া কিংবা ব্যবসার হিসেব-নিকেশ করার ভিত্তি হলো ৩০ চৈত্র কিংবা পহেলা বৈশাখ।

বাংলাদেশে বাংলা সালের শেষ দিন ৩০ চৈত্র তারিখে চৈত্র সংক্রান্তি আর বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখে নববর্ষ এই কারণেই ঘটা করে পালিত হয়ে আসছে দীর্ঘকাল ধরে।

অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন জানান, বাংলা সাল কে চালু করেছিলেন তা নিয়ে ইতিহাসà