শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৫ পৌষ ১৪৩২ ।। ২০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে নো কম্প্রোমাইজ: ইসলামী ছাত্র আন্দোলন  প্রতিদ্বন্দ্বী জুনায়েদ আল হাবীবকে ‘রোহিঙ্গা’ বলে ইঙ্গিত রুমিন ফারহানার ‘আসন সমঝোতা শিগগির চূড়ান্ত না হলে জনগণের প্রত্যাশা ব্যাহত হবে’  চারদিনে ইসিতে আপিল ৪৬৯টি, শেষদিন কাল সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বার বার হামলা চালানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল গাজীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে ঝুটের অর্ধশতাধিক গোডাউন বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: জুনায়েদ আল হাবীব নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা জনমনে সংশয় রয়েছে: মঞ্জু যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ডিএমপি এই সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে আলেম বিদ্বেষ

আগুনে দগ্ধ হয়ে পিতাপুত্রসহ ৩ রোহিঙ্গার মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ পিতাপুত্রসহ তিনজন ৬ দিনের মাথায় মারা গেছেন। গত ১২ মে ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন সূত্রপাত।

দুর্ঘটনায় দগ্ধ ৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুর ও সন্ধ্যায় তারা মারা যান বলে জানিয়েছেন ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন-১৪ এর অধিনায়ক (এসপি) নাইমুল হক নাইম।

নিহতরা হলেন, ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকের আজগর আলীর ছেলে নুরুল আলম (৫৯), তার ছেলে আনোয়ার কামাল (১২) ও ক্যাম্প ১/ইস্ট, ব্লক ডি/৪'র আলী আহমেদের ছেলে হাফিজুল মোস্তফা (৭)।

গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ ৬ রোহিঙ্গাগ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ ৬ রোহিঙ্গা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক নাইমুল হক জানান, গত ১২ মে কুতুপালং ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ হয়। এসময় তার স্ত্রী চুলায় রান্না বসাতে গেলে আগুন ধরে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। তাতে ঘরে ও আশপাশে থাকা ছয়জন দগ্ধ হন।

আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে বার্ন ইউনিটে তারা সবাই চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ অবস্থায় দুপুরে বাবা নুরুল আলম, বিকেলে ছেলে আনোয়ার সন্ধ্যায় অপরজন মারা যায় বলে জানানো হয়।

ক্যাম্প ১/ইস্ট, ব্লক ডি/৪ এর হেড মাঝি তৈয়ব জানান, উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে ১২ মে সকালে ক্যাম্প ১/ইস্ট এর ব্লক-ডি ৪ এ রোহিঙ্গা নুর আলমের ঘরে গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ হন নারী শিশুসহ ৬ জন রোহিঙ্গা। দগ্ধ সবাইকে ক্যাম্পে এনজিও হাসপাতালে ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের সবাইকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পিতাপুত্রসহ তিনজন মারা যান।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ