মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ভুল দুই প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের পক্ষে সই কাতারের সাবেক আমিরের ইন্তেকালে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন আমিরে মজলিস

নিজ দেশে ফিরতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নিরাপদে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার দাবিতে বাংলাদেশের কক্সবাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা।

আজ রোববার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে নয়টায় কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নির্যাতিত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ‘ব্যাক টু হোম’ ‘আর কত দিন? চলো বাসায় যাই; চলুন মিয়ানমারে যাই’ মিয়ানমার আমাদের মাতৃভূমি, অনুগ্রহ করে জাতিসংঘ, আমাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে সাহায্য করুন, বিশ্ব সম্প্রদায় দয়া করে, মিয়ানমারে আমাদের অধিকার বাঁচাতে সাহায্য করুন' স্লোগান লেখা প্লে-কার্ড ও ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে।

মিছিল থেকে নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি জানানো হয়। এছাড়া মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বানও জানানো হয়।

২৭ নং ক্যাম্পের মাস্টার ফায়সাল লিখিত বক্তব্যে বলেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমার নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগণ। এখন জোরপূর্বক রাষ্ট্রহীন মানুষ। ২০১৭ সালের দেশত্যাগের পর পাঁচ বছর কেটে গেছে। আর কত দিন গৃহহীন থাকব? আমরা গৃহহীন থাকতে চাই না। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। স্বদেশ মিয়ানমার নিজেদের মাতৃভূমি আরাকানে ফিরে যেতে চাই এবং সেখানে যথাযথ অধিকার নিয়ে নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে চাই।

উখিয়ার ৪ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হেড মাঝি মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আমরা নিরাপদ প্রত্যাবাসন চাই। আমাদের আশা এবারের সমাবেশের মাধ্যমে উত্থাপিত রোহিঙ্গাদের যৌক্তিক দাবিগুলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্ব পাবে।

শুধু তাই নই, রোহিঙ্গারা দীর্ঘকাল মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে। ১৯৭৮ সাল থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমরা নির্যাতিত, ধর্ষণ, হত্যার শিকার। বিভিন্ন সময়ে গ্রাম ও বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ