শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা থেকে মার্কিন সেনার ইসলাম গ্রহণ! মারকাযুল ফুরকানের বর্ণাঢ্য আয়োজনে মেধা প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ ‘মুহাম্মদ’ নাম নিয়ে ট্রাম্পের ব্যঙ্গ নিয়মিত নামাজ আদায়ের শীর্ষে আফগানিস্তান, দৈনিক নামাজ পড়েন ৯৬ শতাংশ লালন দর্শন ও ইসলামের আকিদা: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে কয়েকটি মৌলিক মতপার্থক্য মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে ইরানি তরুণীর মৃত্যুদণ্ড আমিরে মজলিসের ১৬ লাখ অনুসারীর ফেসবুক আইডি সরিয়ে দিল মেটা ‘ইসলামের আলোকে নারীর যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে’ স্বামী-স্ত্রীর কেউ পরকীয়ায় জড়ালে অপরজনের করণীয় কী? তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন পূর্বাভাস 

সীমান্তে নিহতরা সবাই অপরাধে জড়িত: বিএসএফ মহাপরিচালক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে যারা গুলিতে নিহত হয়েছেন তারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং।

নিহতরা সবাই মাদক, গরু চোরাকারবারসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা রাতে ঘটে এবং যখন বিএসএফ সদস্যরা হামলার শিকার হয় তখনই তারা গুলি করে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব বলেন।

সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের কীসের ভিত্তিতে অপরাধী বলা হয়, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, 'বিচার ব্যবস্থায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাউকে অপরাধী বলতে পারি না।

আমরা বর্ডার গার্ড, কলকাতা পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করি। মাফিয়ারা সীমান্ত দিয়ে চোরাকারবারিতে জড়িত।'

তিনি বলেন, এখানে দুটি ইস্যু আছে, কাউকে অপরাধী বলার জন্য আমরা শুধু বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করি না। আরেকটি বড় বিষয় হলো গোয়েন্দা তথ্য।

বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, সীমান্ত এলাকায় ভালো-মন্দ দু ধরনের মানুষই আছে। তাদের কারণে সীমান্তে অপরাধ সংঘটিত হয়। তাদের কারণেই চোরাকারবার, শিশু ও নারীপাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশের মতো ঘটনা ঘটছে।

বিএসএফ ডিজি আরো বলেন, আমরা প্রথমে মারণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার করি না, যেন প্রতিরোধ মারণঘাতি না হয়।অপরাধীদের হামলায় সীমান্তে ৮৯ জন বিএসএফ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ