শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

টেকনাফে ৬ রোহিঙ্গা অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফে আবারও ছয় রোহিঙ্গা অপহরণের শিকার হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে তাদের অপহরণ করা হয়।

আজ শনিবার দুপুরে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) উপঅধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অপহৃত রোহিঙ্গাদের পরিবারের কাছে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণও দাবি করা হচ্ছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

অপহরণের শিকার রোহিঙ্গারা হলেন- টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকুল ২১ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বি-৭ ব্লকের বাসিন্দা আমির হাকিমের ছেলে মো. ফরোয়াজ ও মো. জোহার, মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ নূর, আবুল হোসেনের ছেলে নুরুল হক, ইউসুফ আলীর ছেলে জাহিদ হোসেন এবং সি-১ ব্লকের বাসিন্দা আবদুস সালামের ছেলে মো. ইদ্রিস।

হোয়াইক্যং চাকমারকূল-২১ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির থেকে চোরাই পথে স্থানীয় মো. বেলাল ওই ছয়জনকে উলুবনিয়া কাজের কথা বলে বের করে নিয়ে যান। এরপর তাদের এক জায়গায় নিয়ে আটকে রেখে রাত সাড়ে ১২টার পর পরিবারের কাছে মোট ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত মোহাম্মদ নুরের মোবাইল ফোন থেকে আরেক অপহৃত জোহারের স্ত্রীর কাছে ফোন করে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেছে সন্ত্রাসীরা। টাকা না দিলে তাদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও চাকমারকূল-২১ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ছয়জন রোহিঙ্গা নাগরিককে অপহরণের বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি এপিবিএনকে জানিয়েছি।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ