শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

কারখানায় অগ্নিদুর্ঘটনার শঙ্কা, বিজিএমইএর ৭ নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাস ডেস্ক: আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করে পোশাক কারখানার মালিকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি সাতটি নির্দেশনা দিয়েছে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

বিজিএমইএর সদস্যদের পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রীষ্ম মৌসুম শুরু হয়েছে। এ সময় আবহাওয়ার উষ্ণতা বৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে বিস্ফোরণ ও অগ্নিদুর্ঘটনা বৃদ্ধি পায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে এ দুর্ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট গ্রীষ্ম মৌসুমে অগ্নিদুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে- কারখানার সাব স্টেশন, জেনারেটর, মেইন সুইচ বোর্ড, প্যানেল বোর্ড, ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক মেশিনারিজ ও যন্ত্রাংশ অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগ ঘটতে পারে। পাশাপাশি ঝড় ও বৃষ্টির বৈদ্যুতিক তারের লুজ হলে সেখানে পানি লেগে স্পার্ক করে আগুন লেগে যেতে পারে।

নির্দেশনায় বলা হয়- কারখানায় বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার বিষয়ে পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে বৈদ্যুতিক বিস্ফোরণ ও অগ্নিদুর্ঘটনা এড়ানো যাবে। এবং শ্রমিক কর্মচারী হতাহতের অপ্রত্যাশিত ঘটনা এড়ানো যাবে।

এছাড়া কারখানায় বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা ও অগ্নিদুর্ঘটনার রোধে কারখানার সব মালিককে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত সব সদস্যকে পাঠানো চিঠিতে সাতটি নির্দেশনা পরিপালনের কথা বলা হয়েছে। সেগুলো হলো—

• কারখানার সব বৈদ্যুতিক তার, ওয়্যারিং এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি যেমন সাবস্টেশন, জেনারেটর, মেইনসুইচ বোর্ড, সাব-মেইন সুইচ বোর্ড, ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড, জাংশন বোর্ড ও কারখানায় ব্যবহৃত সব ধরনের বৈদ্যুতিক মেশিনারিজ বিষয়ে দক্ষ একজন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার বা কমপক্ষে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা নিয়মিত পরীক্ষা করানো।

• বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ এবং তারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিয়মিত পরিমাপ করা।

• সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রসমূহের জন্য ব্যবহৃত লোড অনুযায়ী সঠিক তার ব্যবহার করা। উপযুক্ত আর্থিং সংযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করা এবং মাসে অন্তত একবার সব বৈদ্যুতিক তারের ইন্সুলেশন পরীক্ষা করা।

• অবিলম্বে কারখানায় দীর্ঘদিন ব্যবহৃত ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, ওয়ারিং, সার্কিট ব্রেকার, ভাঙা প্লাগ ও সকেট, পাওয়ার কার্ড ইত্যাদি পরিবর্তন করা।

• কারখানার বৈদ্যুতিক স্থাপনার ও চ্যানেলগুলো থাকা ডাস্ট নিয়মিত পরিষ্কার করা।

• যেকোনও বৈদ্যুতিক স্থাপনার কমপক্ষে তিন ফুটের মধ্যে কোনও মালামাল বা দাহ্য পদার্থ না রাখা।

• কারখানার সব বৈদ্যুতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সার্টিফিকেটধারী দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান নিযুক্ত রাখা।

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ