বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

প্রাইমারি স্কুলের দরজা-জানালা বিক্রির চেষ্টা, পালালেন প্রধান শিক্ষক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সদর উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দরজা-জানালা খুলে বিক্রি করতে গিয়ে গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়েন আব্দুল হান্নান নামে প্রধান শিক্ষক। মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার পূর্ব কূপতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান কৌশলে পালিয়ে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ, শ্রেণিকক্ষ এবং বাথরুমের মোট চারটি লোহার ও একটি প্লাস্টিকের দরজা মিস্ত্রিদের দিয়ে খুলে ফেলেন। এরপর সেগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি ভ্যানে তুলে নিতে গেলে গ্রামবাসী তাকে আটকে ফেলেন।

তবে ঘটনার সময় উত্তেজিত জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যান। পরবর্তীতে দরজাগুলো স্থানীয় ইউপি সদস্য মুরাদ মিয়ার জিম্মায় রাখা হয়।

গ্রামবাসী এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে বিদ্যালয়ের সম্পদ বিক্রির চেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও আইনবিরোধী কাজ।

কুপতলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মুরাদ মিয়া বলেন, আমরা দরজাগুলো উদ্ধার করে জিম্মায় রেখেছি। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। গ্রামবাসী দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।‌ এ ধরনের কর্মকাণ্ড একজন শিক্ষকের কাছে কখনো প্রত্যাশিত নয়। প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপই কেবল শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও গ্রামবাসীর আস্থা পুনঃস্থাপন করতে পারে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ