শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাদিস শিক্ষায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে তুরস্কের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শামায়েল নদভীর চুক্তি কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত নেপালের বন্যায় ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৯৭ বছরের বৃদ্ধা নিজ উপজেলায় সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়া নেত্রকোনার বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে অপপ্রচার নেপালে হড়পা বানে ভেসে যায় ব্যাংকের লকার, প্রায় কোটি টাকা লুটপাট বাবুনগর মাদরাসায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, দোয়া নিলেন হেফাজত আমিরের ‘প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষণ নেই, পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে’ হাম উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬৩

মা জানে না মাহিন বেঁচে নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রংপুর ব্যুরো

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিকনিকে যাওয়ার পথে সকালে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছেন ছেলে। সকাল থেকে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকাল, প্রতিবেশী-স্বজনরা মৃত্যুর খবর জানলেও মা জানেন ছেলে আহত হয়েছে। ছেলের মরদেহ আসা পর্যন্ত যেন মায়ের কানে মৃত্যুর সংবাদ না পৌঁছায় সে জন্য স্বজনরা চালাচ্ছেন জোর প্রচেষ্টা। প্রতিবেশী ও অন্য কাউকে বাড়ির আশেপাশে ভিড়তে দিচ্ছে না তারা।

শনিবার সকালে গাজীপুরের শ্রীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) পিকনিকের দোতলা বাসে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে রয়েছে মুবতাছিন রহমান মাহিন। রংপুর নগরীর জুম্মাপাড়ায় তার বাড়ি।

 মাহিনের বাবা ইমতিয়াজুর রহমান এবি ব্যাংকের সৈয়দপুর শাখার ব্যবস্থাপক। দুই ভাইয়ের মধ্যে মাহিন বড়। মা-বাবা ও পরিবারের খুব আদরের ছিল মাহিন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের উদয়খালি গ্রামে তাকে বহন করা বিআরটিসির দোতল বাসটি পৌঁছালে ঝুলে থাকা তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে মাহিনসহ আইইউটির তিন শিক্ষার্থী মারা যান। এ ঘটনায় আহত হন আরও তিনজন।

বিকালে মাহিনের বাড়িতে যাওয়ার পথে পুরো এলাকা থমথমে দেখা যায়। মোড়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবেশীরা তার মৃত্যুর খবর নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে বাড়ির আশেপাশে কাউকে দেখা যায়নি।

মুবতাছিন রহমান মাহিনের চাচা হাসান রহমান বলেন, আইইউটি ইউনিভার্সিটিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড বিজনেস সোসাইটিতে শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন মাহিন। সকালে বাসে বিদ্যুতায়িত হয়ে পুড়ে মারা গেছেন।

ছেলের মৃত্যুর খরব তাঁর মা সহ্য করতে পারবে না। এ জন্য বাড়ির আশেপাশে কাউকে আসতে দেওয়া হচ্ছে না।

মুবতাছিন রহমানের চাচা হাসান রহমান বলেন, আমার বাবা (মাহিন) গেছে ওখানে (আইইউটি) ভালো কিছু করে আসবে। তার কোনো ক্ষতি কল্পনাতেই আসে না। তাকে ফিরতে হবে লাশ হয়ে, এর মতো দুঃখজনক কিছু হতেই পারে না। যারা দায়িত্বে ছিল, তাদের শতভাগ অবহেলা ছিল।

একটা তার ঝুলে পড়বে গায়ের মধ্যে এটা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই, কার অবহেলার কারণে আমাদের সন্তানকে হারাতে হলো।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ