রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

গরুর মাংস ৬৮০, মুরগি ১৮০ টাকায় বিক্রির নির্দেশ: চাঁদপুর জেলা প্রশাসক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চাঁদপুরে বসায়ীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে মাংস, মুরগি এবং ডিমের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মহসিন উদ্দিন।

রবিবার (২ মার্চ) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সভায় চাঁদপুর জেলা শহরসহ সব উপজেলার ব্যবসায়ী, উৎপাদনকারী এবং বাজার সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলায় রবিবার থেকে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮০ টাকা। খাসির মাংস প্রতি কেজি ১১০০ থেকে ১১৫০ টাকা। বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকা। কক/সোনালী মুরগি প্রতি কেজি ২৭০ টাকা। ডিম প্রতিটি বিক্রি হবে ৯ টাকা ৫০ পয়সা করে।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, ব্যবসা তো সারাবছরই করেছেন। মাহে রমজানে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য এবং আখেরাতে কামিয়াবির জন্য দ্রব্যমূল্য কমাতে হবে। বাজার স্থিতিশীল কিংবা নিম্নমুখী হলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সাধ্যের মধ্যে চলে আসবে। ব্যবসায় লাভ এবং লস দুটোই মেনে নিয়ে ব্যবসা করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে একজন গরুর খামারি বলেন, মাংস ব্যবসায়ীরা আমাদের কাছ থেকে ৪৫০ থেকে ৪৬০ টাকা কেজিতে গরু কিনে নিচ্ছেন। অথচ তারা বাজারে ওই মাংস বিক্রি করছেন ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি ধরে।

তিনি আরও বলেন, আমরা দীর্ঘ সময়ে ধরে একটি গরু লালন-পালন শেষে লাভের পরিবর্তে লস হয়। অথচ মাংস ব্যবসায়ীরা এক কিংবা দুই দিনের জন্য গরুটি নিয়ে আকাশ চুম্বি ব্যবসা করছেন। তারা চাইলে জনস্বার্থে মাংসের দাম কমাতে পারেন।

চাঁদপুর পাল বাজারে একজন ডিম ব্যবসায়ী বলেন, সপ্তাহের দুটি চালানে আমাদের প্রায় এক লাখ দুই মাসে। খুচরা বিক্রেতাদের কাছে আমরা ৯ টাকা ২০ পয়সা ধরে ডিম কিনে আনছি। খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রয় করছি নয় টাকা ৭০ পয়সা ধরে। জেলা প্রশাসকের অনুরোধে এখন থেকে আমরা ডিম বিক্রি করব ৯ টাকা ৫০ পয়সা ধরে।
 
শাহরাস্তি এবং বাবুরহাটের ২ জন মাংস ব্যবসায়ী ৬৮০ টাকা দরে মাংস বিক্রিতে আপত্তি করেন। তাদের দাবি রমজান মাসে ৭০০ টাকায় তারা মাংস বিক্রি করতে রাজি আছেন। এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে তাদের একাধিকবার আলোচনা হয়।

সবশেষে জেলা প্রশাসক ৬৮০ টাকা কেজিতে গরুর মাংস বিক্রির দাম নির্ধারণ করে দেন। সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক, জেলা প্রশাসন সম্পদ কর্মকর্তা, মার্কেটিং কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এনআরএন/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ