বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড় ভারতের পুশইন অপচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি: খেলাফত মজলিস বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘সুখবর’ বিশ্বকাপ উন্মাদনা: আবেগের উল্লাসে আদর্শের বিসর্জন প্রস্তাবিত বাজেট: দাম কমবে ৬০ পণ্যের নতুন বাজেটে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষায় বরাদ্দ ১৮,৪৫৯ কোটি টাকা ৭ দশকের প্রথা ভেঙে সৌদিতে ভারতের প্রথম অমুসলিম রাষ্ট্রদূত

দাবি না মানলে চূড়ান্ত আন্দোলনে যাবে শিক্ষকরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়াসহ তিন দফা দাবি না মানলে চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। শেষ পর্যন্ত সরকার তাদের অবস্থান পরিবর্তন না করলে রোববার যমুনা ঘেরাও কর্মসূচি দিতে তারা বাধ্য হবেন বলেও জানান।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিক্ষোভ মিছিল শেষে এ ঘোষণা দেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন আজিজী। 

আজ বিকাল ৩টার পর তিন দফা দাবি আদায়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষকরা শহীদ মিনারের বেদিতে জড়ো হয়েছেন। তারা বৃষ্টিতে ভিজে স্লোগান দিচ্ছেন, কেউ বক্তব্য রাখছেন।

খুলনা থেকে আসা আসমা আক্তার বলেন, যুগের পর যুগ ধরে মাত্র এক হাজার টাকা বাড়ি ভাতা দেওয়া হয়। দাবি তোলার পর ২ হাজার টাকা দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু ২ হাজার টাকায় কি এখন বাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়!

নড়াইল থেকে আসা রবিউল আলম বলেন, আমরা সকাল থেকে এখানে জড়ো হচ্ছি। গতকালও অনেক শিক্ষক ছিলেন। একদল গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন, আরেকদল আসছেন। এভাবে আমরা টানা ছয় দিন ধরে আন্দোলন করছি।

টানা ছয় দিন ধরে তারা রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, শিক্ষা অফিস ও শাহবাগ এলাকায় আন্দোলন করছেন। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাড়া মেলেনি। এ আন্দোলনে শিক্ষকদের ছয়টি সংগঠন একত্র হয়ে যৌথভাবে আন্দোলন করছে।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষকরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না। সরকারের অন্যান্য পেশার মানুষ যে হারে বাড়ি ভাতা পাচ্ছেন, তাতে তারা চলতে পারছেন। কিন্তু শিক্ষকদের এখনো পুরোনো বেতন স্কেল অনুযায়ী বাড়ি ভাতা দেওয়া হচ্ছে, যা দিয়ে গ্রাম বা শহরে কোথাও একটি বাসা ভাড়া নেওয়া সম্ভব নয়। তাই তারা বাড়ি ভাতা ২০ শতাংশ বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ