আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত অর্থবিলে ‘সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে’ দান করা অর্থের ওপর কর রেয়াতের সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে কোনো ব্যক্তি করদাতা তার আয়ের একটি অংশ এই প্রতিষ্ঠানে দান করলে ওই অর্থের ওপর আয়কর দিতে হবে না। তবে এ সুবিধা পেতে দানের অর্থ অবশ্যই ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
এর আগে গত অর্থবছরে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এবং জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে দান করা অর্থের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কর রেয়াত সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। নতুন অর্থবিলে সেসব প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টকেও যুক্ত করা হলো।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১২-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত কোনো তহবিলে নির্ধারিত সীমার মধ্যে দান করলেও কর ছাড় পাওয়া যাবে। কোম্পানির ক্ষেত্রে আয়ের ১০ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ৮ কোটি টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি কম, সেই পরিমাণ অর্থ কর রেয়াতের আওতায় থাকবে।
অন্যদিকে কোম্পানি ছাড়া অন্য করদাতাদের ক্ষেত্রে আয়ের ১০ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা—যেটি কম, সেই পরিমাণ দানের অর্থ কর ছাড়ের জন্য বিবেচিত হবে।
এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত কোনো বালিকা বিদ্যালয় বা মহিলা কলেজে দান করা অর্থও কর রেয়াতের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী করদাতাদের দাতব্য ও জনকল্যাণমূলক কাজে উৎসাহ দিতে স্বাস্থ্য, প্রতিবন্ধী সেবা, ক্যান্সার, অটিজম, ডায়াবেটিস, থ্যালাসেমিয়া ও সামাজিক কল্যাণে নিয়োজিত ১১টি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য কর রেয়াত সুবিধা অব্যাহত ও সম্প্রসারণের প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। তবে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের নাম বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করেননি।
এমএন/