বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ রাত ১টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ‘বাবরি মসজিদ ভাঙা উচিত হয়নি’—এমন মত দেশদ্রোহিতা নয়: বোম্বে হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ ও ইসলামি স্থাপনায় হামলা বেড়েছে ১৮৩ শতাংশ হবিগঞ্জের সংঘর্ষে উদ্বেগ, রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিতের আহ্বান জমিয়তের মিরপুরে দেয়াল ধসে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি ইসলামী আন্দোলনের শিক্ষার্থী নির্যাতনে আম্মার ও শিবির নেতাদের শাস্তি চাইল শিক্ষক নেটওয়ার্ক অশ্লীলতা থেকে বাঁচার দোয়া জাতিসংঘে ভারতীয় কূটনীতিকের আরবি বক্তব্যে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতির বার্তা সৌদির বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টিসহ আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

শিক্ষার্থী নির্যাতনে আম্মার ও শিবির নেতাদের শাস্তি চাইল শিক্ষক নেটওয়ার্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষার্থী নির্যাতন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আহত দুই শিক্ষার্থীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে পাঠানো শিক্ষার্থীরা হলেন- ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মো. আনাস এবং সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদুল হাসান।

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, প্রক্টর অফিস, রাকসু ভবন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এবং এমনকি অ্যাম্বুলেন্স থেকে আহত ব্যক্তিকে নামিয়ে পুনরায় মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের শাসন ও শিক্ষার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত ও বিচার করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। কোনো ছাত্রসংগঠন বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি বলেও মন্তব্য করা হয়।

শিক্ষক নেটওয়ার্কের দাবি, রাকসু নির্বাচনের পর থেকেই জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এখতিয়ারবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। বিবৃতিতে ২০২৫ সালের বিভিন্ন আন্দোলন ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দেওয়া, শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, লাঠি নিয়ে তথাকথিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাসহ একাধিক ঘটনার উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অতীতে সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কারও সম্পৃক্ততা থাকলে তা তদন্ত করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের, কোনো ছাত্রসংগঠনের নয়। অথচ অভিযোগ রয়েছে, বারবার আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ, ভয়মুক্ত ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা তথ্য সংগ্রহ করছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ