শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ ।। ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৪ মহর্‌রম ১৪৪৮


সাতক্ষীরায় একইদিনে ৩ স্থান থেকে ৩ লাশ উদ্ধার


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

সাতক্ষীরার পৃথক ৩টি স্থান থেকে ৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

শুক্রবার (১৯ জুন) জেলা সদর, কলারোয়া ও আশাশুনি থেকে এসব লাশ উদ্ধার কাজ করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।  

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য মতেو সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর বেড়বাড়ি গ্রামে নিজ ঘরের মধ্যে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন অমিত হাসান (২৫)। তিনি ওই গ্রামের মোসলেম সরদারের ছেলে। শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ নিহতের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করেছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাসুদুর রহমান জানান, অমিত হাসান অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। এরপর তিনি দেনায় জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে উঠেন। ধারণা করা হচ্ছে, এসমস্ত কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

এদিকেو কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশে এক যুবকের মরদেহ পড়ে আছে দেখে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক সেখানে পুলিশ পাঠানো হয় বলে জানানو কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: শাহিন। 

তিনি বলেন, পরে তিনি নিজেও ঘটনাস্থালে এসে মরদেহের যে পরিস্থিতি দেখেছেন তাতে তিনি প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড মনে করেছন। কারণ তাকে অন্যকোন স্থানে হত্যার পর লাশ টেনে হিচড়ে ডোবার মধ্যে ফেলে দেওয়ার আলামত বোঝা যায়।

জানা যায়و নিহত যুবক মেহেদী হাসান পেশায় একজন মধু ব্যবসায়ী। নিহত মেহেদী উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ আন্তরিক হয়ে কাজ করছে বলে জানান ওসি।

একইদিনে জেলার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে আব্দুর রহিম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ফরিদ উদ্দীনের ছেলে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম আহমেদ খান জানান, আব্দুর রহিম দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। এ কারণে তাকে অধিকাংশ সময় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। তবে মাঝে মধ্যে শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নতি হলে তিনি ভোরে নামাজ আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হতেন। শুক্রবার ভোরেও তিনি নামাজ পড়তে বের হয়েছিলেন। পরে খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

জেডএম

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ