শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

৪১টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা প্রতিষ্ঠার অনুমোদন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৪১টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে। গত ১ ডিসেম্বর আটটি শর্তের ভিত্তিতে বোর্ডের মাদ্রাসা স্থাপন ও পাঠদানের অনুমতি প্রদান কমিটির সভায় এ সুপারিশ করা হয়।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠিটি তালিকায় উল্লেখ করা সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার উদ্যোক্তা, সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে পাঠানো হয়েছে।

শর্তগুলো হলো- স্থাপনের অনুমতি কোনোক্রমেই মাদ্রাসার পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতি হিসেবে গণ্য করা যাবে না। পাঠদান আবেদন করার আগে মাদ্রাসার নামে নীতিমালা অনুযায়ী কাম্য পরিমাণে জমির ক্রয় করে নামজারি এবং ওই জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করে পাঠদান উপযোগী করতে হবে। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার সঙ্গে সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লেষ থাকবে না। সংরক্ষিত ও সাধারণ তহবিলে যথাক্রমে ন্যূনতম মফস্বল এলাকায় ৭৫ হাজার ও ২৫ হাজার, শহর বা পৌর এলাকায় এক লাখ ও ৩০ হাজার, সিটি করপোরেশন এলাকায় এক লাখ ৫০ হাজার ও ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা থাকতে হবে।

এছাড়াও ব্যক্তি নামীয় মাদ্রাসার ক্ষেত্রে যথাক্রমে ন্যূনতম মফস্বল এলাকায় ১০ লাখ, শহর বা পৌর এলাকায় ১৫ লাখ ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা থাকতে হবে।

পাঠাগারে মফস্বল এলাকায় ৫০০টি, শহর বা পৌর এলাকায় ৭৫০টি, সিটি করপোরেশন এলাকায় এক হাজারটি পুস্তক থাকতে হবে। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালার অন্যান্য সব শর্ত মেনে চলতে হবে এবং কোনো শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে বোর্ড বা সরকার যেকোনো সময় এ অনুমোদন বাতিল করতে পারে। দাখিল করা কোনো তথ্য ভুল প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার স্থাপনের অনুমতি বাতিল বলে গণ্য হবে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ