বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ ।। ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকের ১২২ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিল দ্বীনি চেতনা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা: বাড়ছে তেলের দাম অবহেলায় মায়ের মৃত্যু, শাস্তির মুখে সেই যুগ্ম সচিব কিশোরগঞ্জে খেলাফত ছাত্র মজলিসে যোগ দিলেন ৩৬ শিক্ষার্থী শাহজালালে ১৫০ হাজির লাগেজ কাটার অভিযোগ, তদন্তে কর্তৃপক্ষ রুমিন ফারহানার মন্তব্যের নিন্দা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউরোপের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন সংকট তৈরি করবে: খেলাফত মজলিস গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সর্বপ্রথম রাজপথে নেমেছি আমরা: আমিরে মজলিস ড. খলিলুর রহমানকে ওআইসি মহাসচিবের অভিনন্দন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

‘আমাদের শৈশবের সাহরি-ইফতারের আনন্দ ছিল অন্যরকম’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জনপ্রিয় অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলাম একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে তার শৈশবের রমজানের স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা বাবা-মায়ের সঙ্গে রোজা করতাম। তখনকার সাহরি-ইফতারের আনন্দ ছিল অন্যরকম। সে আনন্দ সারা জীবনেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

শৈশবের সাহরির স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘আব্বা-আম্মা, ভাই-বোন— একসঙ্গে সাহরি করতাম। আমাদের সময় শীতকালে রোজা হতো। আম্মা উঠতেন সবার আগে। প্রচণ্ড শীতে। আমরা সাহরিতে ভর্তা ভাত-ই খেতাম বেশি। বেগুন ভর্তা কিংবা অন্য কোনো ভর্তা থাকত। ভর্তা দিয়ে খেয়ে দুধভাত খেতাম। সঙ্গে একটি কলা থাকত। এটা ছিল আমাদের প্রতিদিনকার সাহরির খাবার তালিকা।’

ইফতারও সাদামাটা ছিল উল্লেখ করে বলেন, ‘ইফতারে খেতাম কাঁচা ছোলা। তখন কেশর আলু নামে এক ধরনের ফল পাওয়া যেত। এতে প্রচুর পানি থাকত। সেটা খেতাম। সব মিলিয়ে সাদামাটা সাহরি ও ইফতার ছিল আমাদের।’

একরত্তি বয়সে প্রথম রোজা রাখেন এজাজ। কিন্তু ছোট্ট শরীর ধকল নিতে পারেনি। ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। তার কথায়, ‘আমাকে কখনও রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করেনি বাবা-মা। প্রথম রোজার স্মৃতি এখনও মনে আছে। বয়স মনে নেই। তবে খুব ছোট বয়সে প্রথম রোজা রাখি। ইফতারের ঠিক পাঁচ মিনিট আগে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম। ক্ষুধায় চোখে কিছু দেখিনি। ছোট শরীর সারাদিন না খেয়ে থাকার ধকল নিতে পারেনি। আম্মা পাশে বসা ছিলেন। ওনার কোলে পড়ে গিয়েছিলাম।’

সাহরির সেই ঘুম ভাঙানিয়া গান এখনও জনপ্রিয় এ অভিনেতাকে শৈশবে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘তখন সাহরিতে গান গেয়ে সবাইকে ডাকা হতো। ঘুম ভাঙাতে মাঝরাতে দল বেঁধে ডাকত। সে ডাক শুনে আমরা উঠতাম। ডাকগুলো খুব মধুর ছিল।’

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ