শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের প্রতিরক্ষা চুক্তি মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ খেলাফত মজলিসে যোগ দিলেন বেশ কিছু আলেম-উলামা ও দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী হিজাব পরায় খাদ্য উৎসবে হয়রানির শিকার মুসলিম নারী! সহপাঠীদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু ‘ঈমান-আকিদা রক্ষায় দেশের আলেমরা এক ছাতার নিচে জড়ো হবেন ১৫ আগস্ট’  চার দিনের সফর শেষে দেওবন্দে ফিরে গেলেন মুফতি আবুল কাসেম নোমানী সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত‌ ১০ মুসলিমদের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি: মসজিদুল হারামের খতিব দোয়ার মাধ্যমে আজ শুরু হবে আলওয়াসি হজ গ্রুপের নতুন অফিসের কার্যক্রম আজ জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল

‘আমাদের শৈশবের সাহরি-ইফতারের আনন্দ ছিল অন্যরকম’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জনপ্রিয় অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলাম একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে তার শৈশবের রমজানের স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা বাবা-মায়ের সঙ্গে রোজা করতাম। তখনকার সাহরি-ইফতারের আনন্দ ছিল অন্যরকম। সে আনন্দ সারা জীবনেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

শৈশবের সাহরির স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘আব্বা-আম্মা, ভাই-বোন— একসঙ্গে সাহরি করতাম। আমাদের সময় শীতকালে রোজা হতো। আম্মা উঠতেন সবার আগে। প্রচণ্ড শীতে। আমরা সাহরিতে ভর্তা ভাত-ই খেতাম বেশি। বেগুন ভর্তা কিংবা অন্য কোনো ভর্তা থাকত। ভর্তা দিয়ে খেয়ে দুধভাত খেতাম। সঙ্গে একটি কলা থাকত। এটা ছিল আমাদের প্রতিদিনকার সাহরির খাবার তালিকা।’

ইফতারও সাদামাটা ছিল উল্লেখ করে বলেন, ‘ইফতারে খেতাম কাঁচা ছোলা। তখন কেশর আলু নামে এক ধরনের ফল পাওয়া যেত। এতে প্রচুর পানি থাকত। সেটা খেতাম। সব মিলিয়ে সাদামাটা সাহরি ও ইফতার ছিল আমাদের।’

একরত্তি বয়সে প্রথম রোজা রাখেন এজাজ। কিন্তু ছোট্ট শরীর ধকল নিতে পারেনি। ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। তার কথায়, ‘আমাকে কখনও রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করেনি বাবা-মা। প্রথম রোজার স্মৃতি এখনও মনে আছে। বয়স মনে নেই। তবে খুব ছোট বয়সে প্রথম রোজা রাখি। ইফতারের ঠিক পাঁচ মিনিট আগে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম। ক্ষুধায় চোখে কিছু দেখিনি। ছোট শরীর সারাদিন না খেয়ে থাকার ধকল নিতে পারেনি। আম্মা পাশে বসা ছিলেন। ওনার কোলে পড়ে গিয়েছিলাম।’

সাহরির সেই ঘুম ভাঙানিয়া গান এখনও জনপ্রিয় এ অভিনেতাকে শৈশবে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘তখন সাহরিতে গান গেয়ে সবাইকে ডাকা হতো। ঘুম ভাঙাতে মাঝরাতে দল বেঁধে ডাকত। সে ডাক শুনে আমরা উঠতাম। ডাকগুলো খুব মধুর ছিল।’

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ