শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ গণভোটের ফলাফলে সংশোধনী এনেছে ইসি  ‘সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে না আসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ জামালপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: জরিমানা ২০ হাজার  বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: নরেন্দ্র মোদী স্বাস্থখাতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ চূড়ান্ত, কে কোথায় পেলেন রোজায় পানি শূণ্যতা পূরণ করবে যে ৫টি ফল

ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা গরু চেনার ৯ উপায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আর কয়েক দিন পরই কোরবানির ঈদ। এরই মধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশে পশুর হাট বসে গেছে। সেখানে আসা শুরু করেছে কোরবানির পশু। এবার ঈদে প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ পশু প্রস্তুত আছে। সবাই চান মোটাতাজা একটি গরু কোরবানি দিতে। তবে গরু মোটা পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু হৃষ্টপুষ্ট ও সুস্থ গরু পাওয়া যায় না। কারণ, কৃত্রিমভাবে অনেক গরু মোটাতাজা করা হয়।

ঈদের আগে কয়েকদিন ধরে সারাদেশে অস্থায়ী পশুর হাটে চলে গরু কেনা-বেচা। আর বেশি লাভের আশায় অনেক ব্যবসায়ী স্টেরয়েড ব্যবহার করাসহ নানা উপায় অবলম্বন করে গরু দ্রুত মোটাতাজা করা হয়। সেসব গরুর মাংস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

স্টেরয়েড মূলত হাঁপানির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এ জাতীয় ওষুধ যেমন- ডেক্সামেথাসন বা ডেকাসন, বেটামেথাসন ও পেরিঅ্যাকটিন অতিরিক্ত মাত্রায় দিলে গরুর কিডনি ও যকৃতের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ায় শরীর থেকে পানি বের হতে পারে না। এ কারণে শোষিত হয়ে পানি সরাসরি গরুর মাংসে চলে যায়। ফলে গরুকে মোটা দেখায়।

কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে:

১. যেসব গরুর চেহারা স্বাভাবিক উষ্কখুষ্ক এবং চামড়ার ওপর দিয়ে হাড় বেরিয়ে থাকে। সেগুলো সুস্থ ও প্রাকৃতিকভাবে মোটা করা গরুর লক্ষণ। বেশি চকচক করা গরু বা ছাগলের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে।

২. কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস দেবে যাবে এবং দেবে যাওয়া অংশ আবার স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে। এসব গরুর গা ‘পানি নামা’ রোগীর শরীরের মতো ফুলে থাকে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক উপায়ে বা স্বাভাবিকভাবে মোটা করা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে দ্রুতই মাংস স্বাভাবিক হয়।

৩. এসব গরু দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়, খুবই ক্লান্ত দেখায়। শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের সময় যদি শব্দ হয়, তাহলে এ ধরনের গরু না কেনাই ভালো।

৪. এসব গরুর মুখে লালা বা ফেনা থাকে।

৫. সুস্থ গরু একটু চটপটে থাকে। কিন্তু কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা গরুকে খুব ক্লান্ত ও বিষণ্ণ মনে হবে। এসব গরু শরীরে পানি জমার কারণে নড়াচড়া কম করে। এক জায়গায় বসে থাকে। এসব ক্ষেত্রে গরুকে বসা থেকে উঠিয়ে হাঁটিয়ে দেখতে হয়।

৬. গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি নিজ থেকে জিহ্বা দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে, তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।

৭. গরুর শরীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের (৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) চেয়ে বেশি মনে হলে বুঝতে হবে গরুটি অসুস্থ।

৮. সুস্থ গরুর নাকের ওপরের অংশ ভেজা বা বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা থাকবে। অন্যদিকে অসুস্থ গরুর নাক থাকবে শুকনা।

৯. কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর রানের মাংস স্বাভাবিক গরুর রানের মাংসের চেয়ে অনেক নরম থাকে। সুস্থ গরুর রানের মাংস শক্ত থাকবে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ