শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ গণভোটের ফলাফলে সংশোধনী এনেছে ইসি  ‘সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে না আসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ জামালপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: জরিমানা ২০ হাজার  বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: নরেন্দ্র মোদী স্বাস্থখাতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ চূড়ান্ত, কে কোথায় পেলেন রোজায় পানি শূণ্যতা পূরণ করবে যে ৫টি ফল

"কোরবানির পশুর ছবি শেয়ার: ইবাদত না রিয়া?"

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাজমুল হাসান।

কোরবানির ঈদ মানেই ত্যাগ ও আত্মনিয়োগের শিক্ষা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই ত্যাগের চর্চা অনেকটাই ভিন্নরূপে প্রকাশ পাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ঈদের আগে থেকেই শুরু হয় পশু কেনা, আর তার সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে শুরু হয় ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার ধুম।

বিশেষ করে দামি, সুসজ্জিত বা ব্যতিক্রমী কোরবানির পশুর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল করতে মরিয়া হয়ে পড়েন অনেকেই। কেউ ক্যাপশনে লেখেন—“আলহামদুলিল্লাহ আমার কোরবানি”, কেউ আবার পশুর দামে চমকে দেন দর্শককে।

ধর্মীয় স্কলাররা বলছেন, এই প্রবণতা রিয়া বা লোক দেখানোর ঝুঁকি তৈরি করে। ইসলাম মতে, কোরবানি একটি পবিত্র ইবাদত, যার ভিত্তি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি। লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করলে সেই ইবাদতের মূল আত্মা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদরা বলেন, কোরবানির পশুর ছবি শেয়ার করা যদি অহংকার, প্রশংসা পাওয়ার মনোভাব বা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে হয়—তাহলে তা নিন্দনীয়। আর যদি হয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বা নসিহতের উদ্দেশ্যে—তবুও উচিত হয় সংযম বজায় রাখা।

তাই ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোরবানির পশু নিয়ে ছবি শেয়ার করা সতর্কতার সঙ্গে করা উচিৎ। কারণ, ইবাদতের অন্তর নির্ভরতার বিষয়—তাতে লোক দেখানো প্রবেশ করলে ইবাদত আর ইবাদত থাকে না, হয়ে ওঠে আত্মপ্রদর্শনের এক মাধ্যম।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ