মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

আজান দেয়াই কাল হলো মসজিদে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ajanআওয়ার ইসলাম: আজান দেয়াই যেন কাল হলো ভারতের উত্তর প্রদেশের বেরেলির এক মসজিদে। সেখানে আজন দেয়াকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক খবরে দেখা গেছে, গত শুক্রবার হিন্দুদের একটি গ্রুপ হাফিজগঞ্জ এলাকার একটি মসজিদে প্রবেশ করে মুসলিমদের সঙ্গে তর্ক শুরু করলে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরে উভয়পক্ষের মধ্যে পাথর ছোঁড়া শুরু হয়। ওই ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সমর্থ হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো অশান্তির ঘটনা না ঘটে।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টিকারীদের কোনোভাবেই রেহাই দেয়া হবে না। ওই ঘটনায় যুক্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে।

একটি সূত্রে প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট মসজিদে দুই সপ্তাহ আগে মাইক দেয়া হলেও জুমার দিন আচমকা হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ এ নিয়ে বিরোধিতা শুরু করে।

অন্য এক সূত্রে প্রকাশ, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় উধরনপুর গ্রামে মাইকে ভজন বাজানো হচ্ছিল। ওই সময় স্থানীয় একটি মসজিদ থেকে মাইকে আযানের শব্দ ভেসে আসে। হিন্দুদের একটি গ্রুপ এর বিরোধিতা করতে ওই মসজিদে পৌঁছে যায় এবং মাইক বন্ধ করার দাবি জানায়। তাদের অভিযোগ, মুসলিমরা তাদের ভজন বন্ধ করতে বলেছে।

এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বিতর্ক চলার মধ্যে পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে কমপক্ষে শ’তিনেক লোক জড়ো হয় এবং তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে এতে ২০ জন আহত হয়। ওই ঘটনায় পুলিশি তল্লাশি শুরু হওয়ায় গোটা এলাকা কার্যত পুরুষশূন্য হয়ে পড়ায় বাড়িতে এখন নারী এবং শিশুদেরই পাওয়া যাচ্ছে।

এআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ