মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

স্বামীর দেওয়া ‘আগুনে’ পুড়ে মরলেন ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাঁচ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ককে বিয়েতে দাম্পত্যে রূপ দিয়েছিলেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরের জাহাঙ্গীর হোসেন ও সোনিয়া খাতুন। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর গর্ভবতী হয়েছিলেন সোনিয়া। তবে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই আগুনে পুড়ে প্রাণ হারালেন তিনি। আর তাঁর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে খোদ স্বামী জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে।

আজ বুধবার ভোররাতে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সোনিয়া খাতুন (২৪)।

এদিকে ঘটনার পর থেকেই পলাতক জাহাঙ্গীর হোসেন।

সোনিয়ার খালা মোমেনা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, পাঁচ বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেন সোনিয়া ও জাহাঙ্গীর। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই তাঁদের মধ্যে কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠকও বসে। সবশেষ গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাহাঙ্গীর স্ত্রী সোনিয়াকে এনায়েতপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার পাশের গলিতে নিয়ে যান। এরপর সোনিয়ার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।

এ সময় সোনিয়ার চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় খাজা ইউনুছ আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আগুনে তাঁর মুখমণ্ডল থেকে কোমর পর্যন্ত পুরোপুরি ঝলসে গেছে বলে জানান সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গত রাতেই সোনিয়াকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এনায়েতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বিশ্বাস বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে এনায়েতপুর থেকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

তবে দরিদ্র পরিবারটির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আর্থিক সামর্থ্যও ছিল না। পরে আমরা অ্যাম্বুলেন্স এনে তাঁকে এনায়েতপুর খাজা ইউনুছ আলী মেডিকেল কলেজ থেকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। আজ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।’

এ ঘটনায় সোনিয়া খাতুনের মা নূর নাহার বাদী হয়ে এনায়েতপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।

এইচজে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ