বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

‘চিন্তার ভারসাম্যই ওলামায়ে দেওবন্দের বড় বৈশিষ্ট্য’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দারুল উলুম দেওবন্দ (ওয়াকফ) এর মুহতামিম মাওলানা সুফিয়ান কাসেমী বলেছেন, আমরা যদি পর্যবেক্ষণের দৃষ্টিতে দেখি যে আমাদের আকাবির ওলামায়ে দেওবন্দের মধ্যে এমন কী বৈশিষ্ট্য ছিলো, যার জোরে এই অঙ্গন থেকে এতো বিশাল সব ব্যক্তি তৈরি হয়েছেন এবং দেওবন্দ ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় এতো বড় অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে, তাহলে আমরা দেখতে পাবো, ওলামায়ে দেওবন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিলো চিন্তার ভারসাম্য; এই ভারসাম্যের কারণেই ওলামায়ে দেওবন্দ সর্বভারতীয় মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছে।

দারুল উলুমের একটি অনুষ্ঠানে মাওলানা সুফিয়ান কাসেমী এসব কথা বলেন।

ছাত্রদের উদ্দেশ্যে সুফিয়ান কাসেমী বলেন, ওলমায়ে দেওবন্দের জ্ঞান ও জীবনদর্শন সম্বলিত বই ও লেখাগুলো অধ্যয়ন করো এবং তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজেদের ভেতরে ভারসাম্যপূর্ণ চিন্তা তৈরি করো।

তিনি বলেন, বর্তমান যুগ চিন্তাগত যুদ্ধের যুগ। ইসলামের উপর চতুর্দিক থেকে চিন্তাগত আক্রমণ হচ্ছে। ইসলামকে বিকৃত করে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এই সময় আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো চিন্তাগত আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া।

ইসলামের পবিত্র বাণীকে অবিকৃতভাবে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা। ইসলামের শুদ্ধ শিক্ষা পৃথিবীর সামনে পেশ করা।

দারুল উলুমের মুহতামিম বলেন, যখন ভারত সাম্রাজ্যবাদী শক্তির করতলগত হলো, সেই সংকটময় সময়ে এই দেশে ইসলামের শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য একটি দুর্ভেদ্য দুর্গ গড়ে তোলাই ছিলো ওলামায়ে কেরামের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

তাই দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতা কাসেম নানুতুবী রহ. এমন কিছু মানুষ তৈরির উদ্যোগ নিলেন, যারা পরিপূর্ণ ইসলমী সংস্কৃতির পতাকাবাহী হবে এবং ইসলামী শিক্ষার আলোকে নিজেকে ও ইসলামকে রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে।

এই উদ্দেশ্য সামনে রেখেই দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো; যার দেড়শ’ বছর ইতিহাস আজ আপনাদের সামনে রয়েছে।

সূত্র: রোজনামা খবরেঁ

এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ