মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন ৫ কোটি মুসলিম নারী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাখাওয়াত উল্লাহ : বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নারীদের যোগদানের হারও গত কয়েক দশকে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সাম্প্রতি এক তথ্যে উঠে এসেছে, বিশ্বের ৩০টি মূল মুসলিম প্রধান দেশের ৫ কোটি নারীই এখন কোনো না কোনোভাবে তাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।

অর্থনীতিবিদ যাহিদির মতে, যদিও মুসলিম নারীদের তেমন একটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, তবুও তারা তাদের কর্মক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন।

চলতি বছরে জেনেভায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি অবাক হয়েছি এটা শুনে যে অনেকেই নারীদের এগিয়ে যাওয়া নিয়ে তেমন একটা বোঝেনি। তারা ভেবেছিলেন একাই ব্যতিক্রম।‘

পাকিস্তানে বড় হওয়া যাহিদি সবসময়েই নারীদের ক্ষমতায়ন এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের যোগদান নিয়ে বেশ খেটেছেন। এ সময়ে সবাই শিক্ষকতা এবং ওষুধশাস্ত্র নিয়ে কাজ করত, যা কিনা সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য বলে দাবি করা হত।

তিনি বলেছেন, একটি দেশের জন্য যুবসমাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মিশর এবং পাকিস্তানের এক তৃতীয়াংশই যুবক-যুবতী, যাদের প্রায় সবারই বয়স ১৫ থেকে ২৯ এর মধ্যে।

এরকম একটি যুব-সমাজের মধ্যে নারীদের কর্মক্ষেত্রে যোগদান একটি দেশের অর্থনীতিতে বিশাল প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সমাজে যেখানে অর্ধেকই নারী, সেখানে এই নারীদের কাজে যোগদানের কারণে এই দেশের কর্মী সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে যাবে, যা দেশটির অর্থনীতির জন্য বেশ সুবিধাজনক।

তবে নারীদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ বেতন ব্যবস্থা যেখানে পুরুষ এবং নারীদের সমপরিমাণ বেতন প্রদান করা হবে। এতে করেই তারা প্রতিনিয়ত কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করার জন্য মুখিয়ে থাকবে।

দ্য ন্যাশনাল থেকে সাখাওয়াত উল্লাহ’র অনুবাদ

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ