রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

কোন দেশে ইন্টারনেটের স্পিড কত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুমিনুল ইসলাম: গত কয়েক বছর ধরে সারা দেশে ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং অনলাইন লেনদেনের উপর জোর দিয়েছে।

তবে এটি উল্লেখ্য যে এখনও দেশে ইন্টারনেটের গতি বিশ্বমানের পর্যায়ে পৌঁছায় নি। ইন্টারনেট দুটি প্রাথমিক ফরম্যাটে পাওয়া যায়। একটি হল ব্রডব্যান্ড এবং অন্যটি মোবাইল ডাটা। "ওকলা",  জনপ্রিয় ইন্টারনেট স্পীড পরীক্ষা গ্রহণকারী সংস্থা, ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে স্পীডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্সের জন্য তাদের জরিপ পরিচালনা করে।

এই কোম্পানি এই ধরনের তুলনামূলক পরীক্ষা পরিচালনার জন্য বিখ্যাত যা আমাদের বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেটের গতি সম্পর্কে স্পষ্ট চিত্র দেয়। তারা ব্রডব্যান্ড এবং মোবাইল ডাটা উভয়ের ক্ষেত্রেই বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেট স্পীডগুলি পরিক্ষা করে দেখেছে। তবে আপনি জেনে খুব হতাশ হবেন যে আমাদের দেশের অবস্থান একদম নিচের দিকে।

পরীক্ষিত ১২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২০ তম। দেশের ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীরা একটু বেশি ভালো বোধ করবে, কারণ ব্রডব্যান্ডের গতিতে আমাদের দেশের অবস্থান ১৩৩টি দেশের মধ্যে ৮৫তম।

নরওয়ে ৬২.৬৬ এমবিপিএস এর মোবাইল ডাটা স্পীডের সাথে প্রথম স্থানটি ধারণ করেছে ৫৩.০১ এমবিপিএস গতির সঙ্গে নেদারল্যান্ডস দ্বিতীয় এবং আইসল্যান্ডের অবস্থান তৃতীয় যাদের স্পীড ৫২.৭৮ এম বি পি এস।

প্রতিবেশী দেশ চীনের সাথে তুলনা করলে এটা লজ্জাজনক। ৩১.২২ এমবিপিএস গতির সাথে চীন ৩১ তম অবস্থানে রয়েছে। এমনকি পাকিস্তানও আমাদের চেয়ে এগিয়ে। ১৩.০৮ এমবিপিএস মোবাইল ডাটা স্পীডের সাথে ৮৯ তম স্থানে রয়েছে। ১০.৯৭ এমবিপিএস স্পীডের সঙ্গে নেপালের অবস্থান ৯৯ তম এবং ৯.৩২ এমবিপিএস স্পীডের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১০৭ তম।

যদি আপনি শীর্ষস্থানীয় ইন্টারনেট গতির দেশগুলোর দিকে নজর দেন, তবে সিঙ্গাপুর ৫১.৫০ এমবিপিএস গতির সাথে চতুর্থ স্থানে রয়েছে এবং মাল্টা, অস্ট্রেলিয়া এবং হাঙ্গেরি যথাক্রমে চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ডেনমার্কের মত দেশগুলিও খুব পিছনে নেই।

৪৩.৩১ এমবিপিএস গতির সঙ্গে ডেনমার্ক দশম অবস্থানে রয়েছে। যদি আমরা সর্বনিম্ন মোবাইল ডাটা গতির দেশগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকি তবে ইরান ৩.১২ এমবিপিএস গতির সাথে ১২২তম অর্থ্যৎ সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে। আমাদের দেশের অবস্থান ১২০ তম এবং গতি মাত্র ৪.৯৭ এমবিপিএস।

ব্রডব্যান্ড গতির দিক থেকে সিঙ্গাপুর ১৫৩.৮৫ এমবিপিএস গতি নিয়ে দ্রুততম এবং ১৪৭.৫১ এমবিপিএস গতির সাথে দ্বিতীয় স্থানটি আইসল্যান্ডের। ১৩৩.৯৪ এমবিপিএস গতি নিয়ে হংকং এই তালিকায় তৃতীয়।

৬১.২৪ এমবিপিএস গতির সঙ্গে চীনের অবস্থান ২৩ তম। ৬.১৩ এমবিপিএস গতির সঙ্গে পাকিস্তানের অবস্থান ১৩৬ তম এবং ১৪.০৫ এমবিপিএস গতির সঙ্গে নেপালের অবস্থান ৯২ তম। আমাদের দেশের জন্য সুখবর হল ব্রডব্যান্ড গতির দিক থেকে ১৬.১৪ এমবিপিএস গতির সঙ্গে আমাদের দেশের অবস্থান ৮৫ তম।

এদিক থেকে সর্বনিম্ন অবস্থানে মানে ১৩৩ তম আছে আলজেরিয়া যাদের ব্রডব্যান্ড গতি ৩.৭৬ এমবিপিএস। লিবিয়া ও ভেনেজুয়েলা যথাক্রমে ৩.৮৪ এমবিপিএস এবং ৩.৯২ এমবিপিএস গতিতে কাজ করে। বলা হচ্ছে বাংলাদেশ ২০১৮ সালে তার ইন্টারনেট গতি উন্নত করবে এবং এটি দেখার জন্য আমাদের আরো অপেক্ষা করতে হবে।

আরো পড়ুন-  ফেইসবুকে নকল আইডি ব্যবহার; ইসলাম কী বলে?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ