শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

জাতিসংঘ ও মিয়ানমারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্বারককে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম:  জাতিসংঘের দুটি এজেন্সি ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্বারককে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

একই সঙ্গে মিয়ানমার সরকারকে উৎসাহিত করা হয়েছে জাতিসংঘের ওই দুটি এজেন্সি ইউএনএইচসিআর এবং ইউএনডিপির সঙ্গে প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য। যাতে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান নেতৃত্বাধীন এডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেটের করা সব সুপারিশ বাস্তবায়ন করা যায়।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নুয়েদার একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া নির্যাতিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে, মিয়ানমারে স্থিতিশীল প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার মতো পরিবেশ সৃষ্টিতে ইউএনএইচসিআর, ইউএনডিপি এবং মিয়ানমার সরকার যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

এক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের আদি জন্মস্থান যা-ই হোক না কেন এবং তারা যে স্থানকেই বেছে নিক না কেন তা ধর্তব্যের মধ্যে আনা যাবে না।

হিদার নুয়েদার বলেন, এটা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। আমরা এই সমঝোতা চুক্তিকে একটি আস্থা গঠনের পদক্ষেপ হিসেবে দেখছি যাতে, যদি তা বাস্তবায়িত হয় তাহলে মিয়ানমারে আক্রান্ত সব সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা অনুমোদন করবে।

মিয়ানমারকে সহায়তা করবে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করতে। এতে সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে সহায়তা হবে। রাখাইনে বসবাসকারী সব সম্প্রদায়ের সুবিধার জন্য স্থিতিস্থাপক উন্নয়ন হবে বলেও জানান তিনি।

আরো পড়ুন- রোহিঙ্গা নিধনের বিচারে আইসিসিতে বাংলাদেশের সম্মতি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ