বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্র-রাজনীতিতে উলামাদের উপেক্ষা করার পরিণতি ভালো হয় না: পীর সাহেব চরমোনাই দারুল আজহার মাদরাসায় ১২ শিক্ষার্থীর কোরআনের সবক প্রদান জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা ‘তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় জনগণের নাভিশ্বাস’ ঝালকাঠিতে খতমে নবুয়ত সম্মেলন সফল করতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শীলন বাংলাদেশ-এর ১২৩-তম সাহিত্য সভা শুক্রবার ‘ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ’ ‘১২ অক্টোবরের মধ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক ডেঙ্গু সংক্রমণের হার জানা যাবে’ কাম্য কুরআনি বিধি ঢাবিতে নিকাব নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, শিক্ষিকা তাসনিম সিরাজকে বহিষ্কারের দাবি ছাত্র জমিয়তের

সাংবাদিক হত্যায় এবার রাম রহিমের যাবজ্জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এক সাংবাদিককে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ধর্মীয় গুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) আদালত এ রায় দেন। একইসঙ্গে তার তিন সহযোগীকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় কারাকক্ষ থেকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের পঞ্চকুলা আদালতে এই হত্যা মামলার দণ্ডাদেশ শোনানো হয় রাম রহিমকে।

ডেরা সাচ্চা সওদা নামের ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রধান ৫১ বছর বয়স্ক রাম রহিমের আস্তানায় নারীদের যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার খবর প্রকাশ করে দিয়েছিলেন একটি হিন্দি পত্রিকার সম্পাদক রাম চন্দর ছত্রপতি। এর কিছু দিন পরেই তাকে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া, আগে থেকেই আরও দুজন নারী অনুসারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছে রাম রহিম সিং।

রাম রহিম সিং নিজেকে ধার্মিক আধ্যাত্মিক গুরু বলে দাবি করতো এবং সারা দুনিয়া থেকে আসা অনুসারীদের তিনি কৌমার্য এবং ব্রহ্মচর্যের শপথ নিতে বলতো।

২০০২ সালে মি. ছত্রপতি তার ‘পুরা সাচ’ নামের পত্রিকায় একটি চিঠি প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশ না করে চিঠিটি লিখেছিলেন রাম রহিম সিং-এর এক অনুসারী। তিনি লেখেন, সেই ধর্মীয় গোষ্ঠীর ভেতরে যৌন অনাচারের কথা। খবর প্রকাশের মাত্র পাঁচদিন পর ২০০২ সালের ২৪ অক্টোবর দেরা সাচ্চা সওদার অনুসারীরা মি. ছত্রপতিকে তার বাড়ির সামনেই গুলি করে, কয়েকদিন পর তার মৃত্যু হয়। ততদিনে তার পত্রিকায় প্রকাশিত চিঠি নিয়ে বড় আকারের এক তদন্ত শুরু হয়ে যায়।

তার বিরুদ্ধে দুই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল। ওই সময় রাম রহিমকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পঞ্চকুলায় দাঙ্গা বেঁধে যায়। রাম রহিমের অনুসারীরা তাকে গ্রেফতারে বাধা দেয়। ওই দাঙ্গার ঘটনায় নিহত হয়েছিল ৩০ জন এবং অনেক সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতি হয়।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ