বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্র-রাজনীতিতে উলামাদের উপেক্ষা করার পরিণতি ভালো হয় না: পীর সাহেব চরমোনাই দারুল আজহার মাদরাসায় ১২ শিক্ষার্থীর কোরআনের সবক প্রদান জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা ‘তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় জনগণের নাভিশ্বাস’ ঝালকাঠিতে খতমে নবুয়ত সম্মেলন সফল করতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শীলন বাংলাদেশ-এর ১২৩-তম সাহিত্য সভা শুক্রবার ‘ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ’ ‘১২ অক্টোবরের মধ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক ডেঙ্গু সংক্রমণের হার জানা যাবে’ কাম্য কুরআনি বিধি ঢাবিতে নিকাব নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, শিক্ষিকা তাসনিম সিরাজকে বহিষ্কারের দাবি ছাত্র জমিয়তের

পৈতৃক সম্পত্তি পাবে হিন্দু-মুসলিম দম্পতির সন্তান: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ পাবে হিন্দু-মুসলিম দম্পতির সন্তানেরা। মঙ্গলবার একটি মামলার শুনানি শেষে এ রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের দেওয়া রায়ে বলা হয়, হিন্দু-মুসলিম দম্পতির সন্তানেরা বৈধ। তারা পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ পাবেন।

শামসউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি ও তার আত্মীয়দের মধ্যে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে ঝগড়া সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। তারই শুনানিতে এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে বিচারপতি এন ভি রামান্না এবং বিচারপতি মোহন এম শান্তনাগৌরদারের বেঞ্চ।

হিন্দুরা মূর্তি পুজায় বিশ্বাসী। তাই ইসলাম মতে, ধর্মান্তরণ না হলে মুসলিম পুরুষের সঙ্গে হিন্দু নারীর বিয়ে কোনোভাবেই বৈধ নয়। ইসলাম আইনে এই বিয়েকে অসিদ্ধ (ইরেগুলার) বলা হয়ে থাকে।

আদালত জানিয়েছেন, ইসলামী আইনে ধর্ম পরিবর্তন না করে একজন হিন্দু নারীর সঙ্গে মুসলিম পুরুষের বিয়ে হলে সেটা বৈধ (শাহী) তো নয়ই, বাতিল বিয়েও নয়। বরং পুরোপুরি নিষিদ্ধ বিয়ে। সেই বিয়ে ভেঙে গেলে স্ত্রীকে কোনো স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। ভারতের আইনে স্ত্রী ভরণপোষণ পেলেও সম্পত্তির উত্তরাধিকার পান না। আর এমন দম্পতির বিবাহজাত সন্তানকে বৈধতা দেওয়া হয় না। ফলে বাবার সম্পত্তির ওপর কোনো অধিকারই থাকে না সন্তানের।

বিচারপতি মোহন এম শান্তনাগৌরদারের মতে, ‘নিষিদ্ধ বিয়েকে আদালত মেনে নিয়েছে। তবে বিবাহজাত সন্তানকে অবৈধ বলে বাতিল করে দেওয়া যাবে না। হিন্দু-মুসলিম দম্পতির সন্তানেরা বৈধ। তারা পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ পাবেন।

মুহাম্মদ ইলিয়াসের (শামসউদ্দিনের বাবা) মৃত্যুর পর তার হিন্দু স্ত্রী ভাল্লিয়াম্মা ও তাদের সন্তান শামসউদ্দিনকে অবৈধ ঘোষণা করেন তাদের আত্মীয়েরা। সম্পত্তি থেকেও তাদের বঞ্চিত করা হয়। বাবার সম্পত্তির ভাগ চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন শামসউদ্দিন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও এনডিটিভিসহ বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, বিয়ের সময় ভালিয়াম্মা হিন্দু ছিলেন। পরেও তিনি ধর্ম পরিবর্তন করেনি। ইলিয়াসের মৃত্যুর পর ভালিয়াম্মা ভরণপোষণ পেলেও তিনি ও তার সন্তান শামসউদ্দিন বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ