বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্র-রাজনীতিতে উলামাদের উপেক্ষা করার পরিণতি ভালো হয় না: পীর সাহেব চরমোনাই দারুল আজহার মাদরাসায় ১২ শিক্ষার্থীর কোরআনের সবক প্রদান জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা ‘তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় জনগণের নাভিশ্বাস’ ঝালকাঠিতে খতমে নবুয়ত সম্মেলন সফল করতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত শীলন বাংলাদেশ-এর ১২৩-তম সাহিত্য সভা শুক্রবার ‘ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ’ ‘১২ অক্টোবরের মধ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক ডেঙ্গু সংক্রমণের হার জানা যাবে’ কাম্য কুরআনি বিধি ঢাবিতে নিকাব নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, শিক্ষিকা তাসনিম সিরাজকে বহিষ্কারের দাবি ছাত্র জমিয়তের

এবার মহারাষ্ট্রে আইএস সন্দেহে গ্রেফতার ৯

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত ডিসেম্বরে ভারতের উত্তরপ্রদেশে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ১০ ইসলামিক স্টেট (আইএস) সমর্থককে গ্রেফতার করে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। এবার মহারাষ্ট্র থেকে গ্রেফতার হয়েছে আইএসের সন্দেহভাজন আরও ৯ সমর্থক।

গত সোমবার গভীর রাতে ও মঙ্গলবার ভোরে মহারাষ্ট্রের মুমব্রা, থানে ও আওরঙ্গাবাদ অঞ্চলে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশের অ্যান্টি টেরর স্কোয়াড। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজনের বয়স ১৭ বছর।

আইএসের আরও কয়েকটি স্লিপার সেল মহারাষ্ট্রে এখনও আছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অ্যান্টি টেরর স্কোয়াড জানিয়েছে, নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পেয়ে ৯ জনের ওপরে নজর রাখা হচ্ছিল। কয়েক সপ্তাহ নজর রাখার পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছে কয়েক রকমের রাসায়নিক, বিস্ফোরক, মোবাইল ফোন, হার্ড ড্রাইভ, সিম কার্ড, অ্যাসিডের বোতল এবং ছুরি পাওয়া গেছে।

পুলিশগ্রেফতারকৃতদের নাম বলেনি। তবে জানিয়েছে, আওরঙ্গাবাদের কাইজার কলোনি থেকে দুই জন গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ এর মধ্যে। আওরঙ্গাবাদের দামাদি মহল থেকে গ্রেফতার হয় ৩৫ বছরের আর এক ব্যক্তি। রাহাত কলোনি থেকে ২৫ বছরের আরও এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। মুম্ব্রার আমরুতনগর থেকে গ্রেফতার হয় এক জনকে। মুমব্রার অন্য অঞ্চল থেকে আরও চার জন গ্রেফতার হয়। থানে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৭ বছরের কিশোরটিকে।

এর আগে ডিসেম্বরে উত্তরপ্রদেশে যে জঙ্গিদের ধরা হয়েছিল, তারা হরকত-উল-হারব-ই ইসলাম নামে এক সংগঠনের সদস্য। ওই সংগঠনের সঙ্গে আইএসের যোগাযোগ আছে।

এনআইএ-র ইনস্পেক্টর জেনারেল অব পুলিশ অলোক মিত্তাল সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মুফতি মুহাম্মদ সুহেইল নামে এক ব্যক্তি ছিল ওই চক্রের হোতা। তাদের জেরা করে এনআইএ উত্তরপ্রদেশের ১৭টি স্থানে অভিযান চালায়। পূর্ব দিল্লির জাফরাবাদ ও সিলামপুর, উত্তরপ্রদেশের লখনউ, আমরোহা, হাপুর এবং মিরাট জেলার কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চলে। তাতে ২৫ কেজি বিস্ফোরক, একটি দেশি রকেট লঞ্চার, ১২টি পিস্তল ও ১২টি ঘড়ি পাওয়া যায়। ঘড়িগুলো টাইমার হিসেবে কাজ করতো।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ