রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বর্তমান সরকার অতীতের চেয়ে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ডিএনসিসির ৫৪ ওয়ার্ডে শুরু হচ্ছে ‘হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা’ ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য 'রামিসা হত্যার বিচার' থেকে ক্ষমা চান সোহেল মারকাজুল ইসলামীসহ ১১ প্রতিষ্ঠানে দানে মিলবে আয়কর রেয়াত আবু সাঈদ হত্যা মামলা পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ সেবায় ঘাটতি, ২১ ওমরাহ কোম্পানির কার্যক্রম স্থগিত করল সৌদি ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে ঢুকে গুলি, আহত ২ রাশিয়ায় ধরপাকড়ের মুখে আলেমরা, বাড়ছে ইসলাম বিদ্বেষ মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারী আহত

সুরা আর-রহমান শুনতে শুনতে অপারেশন, নিশ্চিত মৃত্যু হতে রক্ষা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তানের লাহোরে তীব্র বিষাক্ত পিল খেয়ে  ২২ বছর বয়সী মুহাম্মদ হাফিজ আব্বাস হাসপাতালে আসেন। লাহোরের সার্ভিসেস হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয় তাকে। অবস্থা দেখে ডাক্তার অপর ডাক্তারের কাছে মন্তব্য করলেন, ‘তেমন আশা নেই, বাঁচার সম্ভাবনা ১০ শতাংশেরও কম।’

পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডনের বরাতে জানা যায়, এরপর মাত্র তিন দিনের মাথায়ই সুস্থ হয়ে হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন হাফিজ। অথচ আইসিইউতে ১৫০ বার হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো তার!

তার ডাক্তার মুহাম্মদ জাবেদ তার বেঁচে ওঠার কথা বলতে গিয়ে বলেন, ৬ ঘণ্টার চেষ্টার পর তার হার্ট সচল রাখতে ১৫০ বার ইলেকট্রিক শক দিতে হয়। বারবার তার কিডনি ও পাকস্থলি পরিষ্কার করা হয়। অনেক পরে তার জ্ঞান ফিরে আসে। তিনি বলেন, আমি জীবনেও শুনিনি ১৫০ বার হৃদযন্ত্র বন্ধ হওয়া কোন রুগী বেঁচে ফিরেছে।

ডাক্তার জাবেদ নিশ্চিত, আইসিইউতে হাফিজের বিছানার পাশে অনবরত কুরআন তেলাওয়াত বাজানোর কারণেই জীবন রক্ষা হয়েছে তার। কুরআনের আয়াতই অলৌকিকভাবে রক্ষা করেছে হাফিজকে।

ডা. জাবেদ বলেন, ‘হাফিজের চিকিৎসা চলাকালে আমি অনবরত সুরা আর-রহমান বাজাতে থাকি। কোন ওষুধ বা চিকিৎসা নয়, মহিমাময় এ সুরাটির কারণেই রক্ষা পেয়েছে সে।

তিনদিন পর হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পান হাফিজ। তার প্রেসক্রিপশনে সবার ওপরে ডাক্তার জাবেদ লেখেন, ‘সুরা আর-রহমান ১-১-১’, অর্থাৎ প্রতিদিন তিনবার সুরাটি তেলাওয়াত করতে হবে রোগীকে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ