বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ।। ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
চট্টগ্রাম প্রাইভেট মাদরাসা অ্যাসোসিয়েশনের ১০ দফা নির্দেশনা পাকিস্তানের শীর্ষ আলেম মাওলানা আজিজুর রহমান জালন্ধরীর ইন্তেকাল টেকসই নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জে ইসলামি দলগুলো মসজিদে নববীর কোরআন ও হাদিস শিক্ষার কার্যক্রম পরিদর্শনে মদিনার গভর্নর ‘জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে জমিয়তকে এগিয়ে আসতে হবে’ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী আল-আজহারে দারুল আরকামের ১৫ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সুযোগ, সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জাপানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮ ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৯ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় কবি আল মাহমুদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ায় ইসলাম:  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইলে পারিবারিক কবরস্থানে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদকে দাফন করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপরে তৃতীয় নামাজে জানাজা শেষে বেলা তিনটার কিছু আগে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

বেলা ১১ টায় সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কবির লাশ রাখা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে।

বাদ জোহর বিদ্যালয় মাঠেই তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দক্ষিণ মৌড়াইল কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

গত শুক্রবার রাত এগারোটায় ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি আল মাহমুদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পর দিন শনিবার দুপুরে কবির লাশ তার সাবেক কর্মস্থল বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নেয়া হয় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। সেখানে একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী কবির ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এর পর লাশ নেয়া হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আল মাহমুদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাতে আল মাহমুদের লাশ ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দক্ষিণ মৌড়াইল মোল্লাবাড়িতে নেয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়ায় আল মাহমুদের লাশ কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

কবি আল মাহমুদের পুরো নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মৌড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদা আবদুল ওহাব মোল্লা হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন।

আল মাহমুদ শুধু আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি নন, তিনি একাধারে ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ