রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে প্রহ্লাদ যোশী ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

ইরাকের ইরবিলে সর্বপ্রথম মানুষের বসবাস শুরু হয়: নাসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রোকন হারুন
আওয়ার ইসলাম

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউট ‘নাসা’ ইরাকের ঐতিহাসিক দুর্গ ‘ইরবিল’কে পৃথিবীর সর্বপ্রথম মানবগোষ্ঠীর বসবাসের জায়গা হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইরাকের ঐতিহাসিক ইরবিল দুর্গটি ছয় হাজার বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়।

নাসার ফেসবুকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাহাড়ের চূড়ায় লিখিত একটি ইতিহাস পাওয়া যায়। তাতে লেখা আছে ‘মিসো পটোমিয়ামের ইরবিল দুর্গটি’ সব চাইতে পুরাতন সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু।

মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউট নাসার অবসাইটে ‘ইরবিল দুর্গ’-এর একটি ছবি ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর আপলোড করা হয়। সে পোস্টে লেখা ছিল, এই স্থান হজরত ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মগ্রহণের অনেক পূর্ব থেকে আবাদ হয়ে আসছিল।

নাসার রিপোর্ট অনুসারে চেঙ্গিসখান তার রাজত্ব বিস্তৃত করার জন্য বিশাল একটি এলাকা দখল করেছিলেন। উছমানি খিলাফত ও ইউরোপীয় এবং এশিয়ান দেশগুলিতে ৬০০ বছর ধরে শাসন করেছিল। এতে ইরবিল দুর্গও অন্তর্ভুক্ত ছিল। যা বর্তমানে ইরাকের প্রদেশ কুর্দিস্তানে অবস্থিত।

ইউনাইটেড নেশন্স ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স অ্যান্ড কালচার 'ইউনেস্কো' ও ২০১৪ সালে ইরবিল দুর্গ’কে ঐতিহাসিক মানবজাতীর আদি-ঐতিহ্য হিসাবে ঘোষণা করেছে।

আরএম/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ