মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

ইরাকের ইরবিলে সর্বপ্রথম মানুষের বসবাস শুরু হয়: নাসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রোকন হারুন
আওয়ার ইসলাম

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউট ‘নাসা’ ইরাকের ঐতিহাসিক দুর্গ ‘ইরবিল’কে পৃথিবীর সর্বপ্রথম মানবগোষ্ঠীর বসবাসের জায়গা হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইরাকের ঐতিহাসিক ইরবিল দুর্গটি ছয় হাজার বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়।

নাসার ফেসবুকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাহাড়ের চূড়ায় লিখিত একটি ইতিহাস পাওয়া যায়। তাতে লেখা আছে ‘মিসো পটোমিয়ামের ইরবিল দুর্গটি’ সব চাইতে পুরাতন সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু।

মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউট নাসার অবসাইটে ‘ইরবিল দুর্গ’-এর একটি ছবি ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর আপলোড করা হয়। সে পোস্টে লেখা ছিল, এই স্থান হজরত ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মগ্রহণের অনেক পূর্ব থেকে আবাদ হয়ে আসছিল।

নাসার রিপোর্ট অনুসারে চেঙ্গিসখান তার রাজত্ব বিস্তৃত করার জন্য বিশাল একটি এলাকা দখল করেছিলেন। উছমানি খিলাফত ও ইউরোপীয় এবং এশিয়ান দেশগুলিতে ৬০০ বছর ধরে শাসন করেছিল। এতে ইরবিল দুর্গও অন্তর্ভুক্ত ছিল। যা বর্তমানে ইরাকের প্রদেশ কুর্দিস্তানে অবস্থিত।

ইউনাইটেড নেশন্স ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স অ্যান্ড কালচার 'ইউনেস্কো' ও ২০১৪ সালে ইরবিল দুর্গ’কে ঐতিহাসিক মানবজাতীর আদি-ঐতিহ্য হিসাবে ঘোষণা করেছে।

আরএম/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ